শাসক-বিরোধী রেষারেষি নয়। রাজ্যের উন্নয়নের লক্ষ্যে সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাই বর্তমানে প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন বিরোধীরা। শুক্রবার দুপুরে বহরমপুরে রবীন্দ্রসদনে পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রশাসনিক বৈঠকেও দেখা গেল সৌজন্যের ছবি। মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান এবং জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমানকে রাখি পরালেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। ভোটে হারের ধাক্কা সামলানোর আগেই ভেঙেচুরে খানখান একদা শাসক শিবির। একদিকে ঋতব্রত এবং কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। আবার ২০ জন তৃণমূল সাংসদ দল ছেড়ে যোগ দিয়েছেন এনসিপিআই-তে। যা এনডিএ-র শরিক দল। সেই দলেই থাকা মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের এবং জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান যেন দু নৌকায় পা দিয়ে চলছেন। তাঁরা আদৌ তৃণমূলে নাকি এনসিপিআই-তে, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। এই পরিস্থিতিতে দ্বিধাবিভক্ত দুই সাংসদের হাতে দিলীপ ঘোষের রাখি পরিয়ে দেওয়ার ঘটনা যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
আরও পড়ুন:
যদিও দিলীপ ঘোষ এই প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি। তবে এদিন প্রশাসনিক বৈঠক শেষে বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,”আমরা রাখিবন্ধনও করছি। বন্দেমাতরম গাইছি। যারা গাইতেন না তারা গাইছেন। এটাই হল আসল পরিবর্তন। বন্দে মাতরম গান লিখেছেন কবিগুরু। সেই বাংলায় যদি বন্দে মাতরম না গাওয়া হয় তা কী হয়?” বলে রাখা ভালো, এদিনই যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডে ১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম গাওয়ার আয়োজন করা হয়। তাতে অংশ নেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য