Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
Ghatal Master Plan

কবে বাস্তবায়িত হবে মাস্টার প্ল্যান? প্লাবিত ঘাটালে বৈঠকের পর দিনক্ষণ জানালেন দেব

বুধবার ঘাটালে যান তারকা সাংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২৫, ১৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০২৫, ১৯:৩৪

options
link
কবে বাস্তবায়িত হবে মাস্টার প্ল্যান? প্লাবিত ঘাটালে বৈঠকের পর দিনক্ষণ জানালেন দেব zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বর্ষা ও নিম্নচাপের বৃষ্টিতে বেহাল দশা ঘাটালের। ইতিমধ্যে প্লাবিত বহু গ্রাম। এই আবহে বুধবার ঘাটালে যান তারকা সাংসদ দেব। মহকুমা শাসকের দপ্তরে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, স্বাস্থ্যসচিব এবং উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।

বৈঠক শেষে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে দেব বলেন, “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য অনুমোদনও হয়েছে। অনেকগুলো স্যুইজ গেট সংস্কারের কাজ চলছে। অনেকগুলো হয়ে গিয়েছে। প্রথম দফার কাজ এই মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। সবথেকে বড় হচ্ছে জমি অধিগ্রহণের কাজ। যতটা কম জমি নিয়ে এটা করা যায় সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন ডিজাইনে ৪০ শতাংশ কম জমি লাগছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান সরকারের জন্য নয়, সাধারণ মানুষের জন্য। মানুষ যেন শান্তিতে থাকতে পারে। ১৯ জুন থেকে সবাই জলের মধ্যে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন কাজটা শুরু হলেই তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, ঘাটাল মূলত শীলাবতী, কংসাবতী এবং দ্বারকেশ্বর নদের শাখা নদী ঝুমির লীলাভূমি হিসাবে পরিচিত। তখনকার আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলস্বরূপ স্থানীয় ভূস্বামীরা এই নদীগুলির বন্যা ঠেকাতে সার্কিট বাঁধ দিয়ে নিজেদের জমিদারিতে নিচু এলাকাগুলিকে বন্যা থেকে বাঁচিয়ে আবাদি জমি বাড়ানোর উদ্যোগ নেন। সেই জমিদারি জমানা আর নেই। কিন্তু জমিদারি বাঁধগুলি আজও রয়ে গিয়েছে। এই জমিদারি বাঁধগুলি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। তার ফলে বাঁধগুলি ভেঙেই মূলত ঘাটাল এলাকায় বন্যা দেখা দেয় ফি বছর। উলটোদিকে জোয়ারের সঙ্গে আসা পলি নদী বাঁধ উপচে ছড়িয়ে পড়তে না পেরে নদীতেই জমতে থাকে পলি মাটি।

ফলে নদীর জলধারণ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। আর ফি বছর বন্যা প্রবণতাও বাড়তে থাকে। এই সমস্যা মেটাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের ভাবনা। কেন্দ্রের আর্থিক বঞ্চনায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হয়নি বলেই অভিযোগ। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ভোটের আগে রাজ্যের তরফে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা জানানো হয়। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আর বানভাসি হতে হবে না ঘাটালবাসীকে। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে আরামবাগে দেবকে পাশে বসিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশ্বাস দেন, রাজ্য সরকারের টাকায় তা বাস্তবায়িত করে। দেবের ‘আবদার’ মেনে ওই টাকা দেওয়া হবে জানিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে এগোচ্ছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.