Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Nadia

এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গের অধিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্রের দাবি নদিয়ার শিবনিবাসে

স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন সময়ে স্বামী বিবেকানন্দ, স্বামী প্রণবানন্দ, মোহনানন্দ মহারাজ, বালানন্দ স্বামী-সহ বহু সাধক, সন্ন্যাসী ও মনীষী এই মন্দিরে এসে পূজা ও ধ্যান করেছেন।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১৫:১৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১৫:১৫

options
link
এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গের অধিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্রের দাবি নদিয়ার শিবনিবাসে zoom
মাজদিয়ার শিবনিবাস শিবমন্দির।
Advertisement

এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গের অধিষ্ঠান নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের মাজদিয়ার ঐতিহাসিক শিবনিবাস। প্রায় আড়াইশো বছরের প্রাচীন এই শিবক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর লক্ষাধিক ভক্ত ও পর্যটকের সমাগম হলেও, সেই তুলনায় পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা ও পুণ্যার্থীদের একাংশের। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকার যেমন তারকেশ্বর মন্দিরকে কেন্দ্র করে পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছে, তেমনই শিবনিবাসকেও ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হোক। আর সেই দাবির মধ্যেই আশার আলো দেখাচ্ছেন কৃষ্ণগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস।

তিনি জানিয়েছেন, শিবনিবাসকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং বিষয়টি বিধানসভাতেও উত্থাপন করেছেন। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৭৫৪ সালে নদিয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় চূর্ণী নদীর তীরে এই শিবমন্দির নির্মাণ করেন। প্রায় ১২০ ফুট উচ্চতার এই নবরত্ন মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে প্রায় ৯ ফুট উচ্চতা ও প্রায় ২৬ ফুট পরিধির বিশাল কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ। স্থানীয়দের দাবি, এটিই এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ। ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্য ও স্থাপত্য ইতিহাসেও এই মন্দিরের বিশেষ স্থান রয়েছে। শুধু ইতিহাস নয়, আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রেও শিবনিবাসের গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর।

Advertisement

স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন সময়ে স্বামী বিবেকানন্দ, স্বামী প্রণবানন্দ, মোহনানন্দ মহারাজ, বালানন্দ স্বামী-সহ বহু সাধক, সন্ন্যাসী ও মনীষী এই মন্দিরে এসে পূজা ও ধ্যান করেছেন। তবে ভত্তসমাগম বাড়লেও শিবনিবাসের পরিকাঠামোর উন্নয়ন সেই হারে হয়নি বলেই অভিযোগ। মন্দিরে পৌঁছনোর রাস্তার উন্নয়ন, পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা, আধুনিক শৌচাগার, বিশ্রামাগার, স্থায়ী পার্কিং, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার এখনও অভাব রয়েছে। শ্রাবণ মাসে হাজার হাজার পুণ্যার্থীর সমাগমের সময় চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় ভক্তদের। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই শিবনিবাসকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নের দাবি উঠছে। তাঁদের আশা, রাজ্য সরকার তারকেশ্বর মন্দিরের মতোই শিবনিবাসের উন্নয়নেও বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.