Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬
Suri

বন্ধ চিনি কারখানায় ডিফেন্স ম্যানুফ্যাকচারিং হাব, শিল্প সম্ভাবনায় স্বপ্ন দেখছে বীরভূম

প্রতিরক্ষা শিল্পকে কেন্দ্র করে বড় কারখানার পাশাপাশি অসংখ্য আনুষঙ্গিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তার ফলে দক্ষ কর্মীর নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।

Advertisement
সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৪:৪৯

link
সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৪:৪৯

options
link
বন্ধ চিনি কারখানায় ডিফেন্স ম্যানুফ্যাকচারিং হাব, শিল্প সম্ভাবনায় স্বপ্ন দেখছে বীরভূম zoom
সিউড়িতে বন্ধ চিনি কারখানায় প্রতিরক্ষা ম্যানুফ্যাকচারিং হাব। নিজস্ব চিত্র

রাজ্যের নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে বীরভূমের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, সাঁইথিয়া ব্লকের গড়ে তোলা হবে অত্যাধুনিক ডিফেন্স ম্যানুফ্যাকচারিং হাব। নির্দিষ্ট জায়গার উল্লেখ না থাকলেও মনে করা হচ্ছে দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা আমোদপুর চিনি কলের জমিতেই গড়ে উঠবে এই আধুনিক শিল্প সম্ভাবনা। এর ফলে পশ্চিমাঞ্চলে প্রতিরক্ষা শিল্পকে ঘিরে নতুন শিল্প বলয় তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সূত্রের খবর, যে শিল্প পার্কে এই প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেখানে একসময় আমোদপুর সুগার মিল চালু ছিল। উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন এলাকা কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। পরে সেখানে শিল্প পার্ক গড়ে তোলা হলেও উল্লেখযোগ্য শিল্পায়ন হয়নি। এবার সেই সরকারি জমি ও বিদ্যমান পরিকাঠামোকেই কাজে লাগিয়ে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের কেন্দ্র গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Sugar-mill-2

আমোদপুরের অবস্থান এই প্রকল্পের অন্যতম বড় সুবিধা। আহমেদপুর ও সাঁইথিয়া রেলপথের নিকটবর্তী হওয়ায় কাঁচামাল ও প্রস্তুত পণ্য পরিবহণ সহজ হবে। পাশাপাশি সড়কপথে পানাগড় ও দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ থাকায় শিল্প পরিচালনায় লজিস্টিক সুবিধাও মিলবে। সরকারি জমি হওয়ায় নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন না পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

প্রতিরক্ষা শিল্পকে কেন্দ্র করে বড় কারখানার পাশাপাশি অসংখ্য আনুষঙ্গিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তার ফলে দক্ষ কর্মীর নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা, পরিষেবা ও পরিবহণ ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেতে পারে। যদিও প্রকল্পের বিস্তারিত রূপরেখা ও বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে এখনও প্রশাসনিক স্তরে আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.