খনি থেকে নিখোঁজ যুবতীর দেহ উদ্ধার। পশ্চিম বর্ধমান জেলার সালানপুর থানার অন্তর্গত ইসিএলের বনজেমারী ওপেন কাস্ট প্রজেক্টের (ওসিপি) খনির ঘটনা। রবিবার সকালে দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবতীর নাম পূর্ণিমা বাউরি(২৬)। তিনি সালানপুরের শিবদাসপুরের বাসিন্দা। রবিবার সকালে খনির ভেতরের একটি পাথরের খাঁজে দেহটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবরটি জানাজানি হতেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমে যায়। দেহটি পচাগলা হওয়ায় প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করতে বেগ পেতে হয় পুলিশকে। পরে পোশাক দেখে মৃতদেহটি শনাক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন:
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পূর্ণিমা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। গত রবিবার ৫ জুলাই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। তারপর আর ফেরেননি। এই নিয়ে সালানপুর থানায় সোমবার একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা। অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার এক সপ্তাহ পর আজ খনি থেকে তাঁর দেহ মিলল। খবর পেয়ে সালানপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গভীর খনি থেকে দেহটি উদ্ধার করে। দেহটি আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এটি দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে, আলিপুরদুয়ারে বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় গৃহবধূর দেহ। পাশে খাটে চাদর, বালিশ চাপা দেওয়া অবস্থায় পাওয়া গেল তাঁর ছোট্ট অসুস্থ সন্তানকে! বধূকে খুন করে ঘরে ফেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই তরুণীর শরীরের একাধিক জায়গায় দাগ, ক্ষত রয়েছে, গলাতেও দাগ মিলেছে! শুধু তাই নয়, ভিতরের একটি ঘরে ধস্তাধস্তির চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনারও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে কেন মোহনবাগানে? মুখ খুললেন সায়ন, ডার্বির ভেন্যুও চূড়ান্তের পথে
-
জঙ্গলের অন্তরালে বাংলায় এক টুকরো জনপদ, জনসংখ্যা মাত্র ১৬! গ্রামের ইতিহাস আশ্চর্য করবেই
-
এই সমাজ-সংসারে সর্বত্র গুন্ডামি, দমন করবে কে?
-
বাদ পড়তেই ফুঁপিয়ে কান্না বৈভবের! ব্যর্থতাতেই কি বসানো হল বিস্ময় প্রতিভাকে? ভিন্ন সুর শ্রেয়সের
-
আত্মীয়দের বাবা-মা সাজিয়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আধার কার্ড! তৃণমূল নেতাকে খুঁজছে পুলিশ