Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Alipurduar

আলিপুরদুয়ারে মারণ ব্যাকটেরিয়ার কোপ! ২০ দিনে মৃত্যু ৪ জনের, অসুস্থ কমপক্ষে ৮

রোগীদের মলের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০২৫, ১৭:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০২৫, ১৭:৩২

options
link
আলিপুরদুয়ারে মারণ ব্যাকটেরিয়ার কোপ! ২০ দিনে মৃত্যু ৪ জনের, অসুস্থ কমপক্ষে ৮ zoom

রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার: মারণ ব্যাকটেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত! ২০ দিনে মৃত্যু হয়েছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের চারজন। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কমপক্ষে ৮জন। এই ঘটনায় শোরগোল আলিপুরদুয়ারের ২ ব্লকের দু’টি গ্রামে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোগীদের ডায়ারিয়ার উপসর্গ ছিল। প্রাথমিকভাবে অনুমান, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এই অবস্থা।

দিনকয়েক আগে আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের মাঝেরডাবরি ও পদ্মেরপাড় এই দু’টি গ্রামের কয়েকজন আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়।আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে বলরাম খড়িয়া নামে দক্ষিণ মাঝেরডাবরির এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়। তার তিনদিন আগে ২৪ সেপ্টেম্বর বুধবার বলরামের ভাই প্রসেনজিৎ খাড়িয়ার মৃত্যু হয়েছিল। তার আগের সপ্তাহে আলিপুরদুয়ারের পদ্মেরপাড়ে বলরাম ও প্রসেনজিৎদের আত্মীয় বুধনি সোরেন ও মংলা সোরোনেরও মৃত্যু হয়। তাঁরা সম্পর্কে মা ও ছেলে।

Advertisement

এই চারজনই পেটের অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে অবস্থার অবনতি ও মৃত্যু। একই পরিবার ও আত্মীয়দের পরপর মৃত্যুতে শোরগোল পড়ে এলাকায়। তারপরও ওই দুই গ্রামের অনেকে প্রায় একই অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক পার্থপ্রতিম দাস বলেন, “এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার জন্য এমন ঘটনা ঘটছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। রোগীদের মলের নমুনা পরীক্ষা জন্য পাঠিয়েছি। জেলাস্তর থেকে বিষয়টির উপর নজর রাখা হচ্ছে। সকলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে সাবধান হন। শরীর খারাপ হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।” চিকিৎসক আরও জানাচ্ছেন, “মৃতদের প্রত্যেকেই পেটের অসুখ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। সঙ্গে বমিও হচ্ছিল। যারা এখন ভর্তি রয়েছেন, তাঁদেরও প্রায় একই উপসর্গ। প্রথমে নির্দিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এই রোগ দেখা যাচ্ছিল। তবে এখন অন্য এলাকারও কয়েকজন অসুস্থ হয়েছেন।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.