Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
CPM

লাল ফেরাতে ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’য় সিপিএম, কেন বাদ তিন জেলা? প্রশ্ন পার্টির অন্দরেই

মূল যাত্রা থেকে বাদ হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা। কী সাফাই সেলিমের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ১৯:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ১৯:৩৩

options
link
লাল ফেরাতে ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’য় সিপিএম, কেন বাদ তিন জেলা? প্রশ্ন পার্টির অন্দরেই zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: শূন্যের গেরো কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’য় গ্রামবাংলা চষে বেড়ানোই লক্ষ্য সিপিএমের। পদযাত্রা, বাইক মিছিল, জেলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরা – এসবের লক্ষ্য একটাই, জনসংযোগ ও দলের কর্মী-সমর্থকদের ছাব্বিশের ভোটের আগে চাঙ্গা করা। একইসঙ্গে জানান দেওয়া পার্টির অস্তিত্ব। সেই লক্ষ্যেই স্থানীয় থেকে রাজ্যভিত্তিক বিভিন্ন ইস্যুকে সামনে রেখে শনিবার থেকে শুরু হল সিপিএমের ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ থেকে ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’ পথে এগোচ্ছে সিপিএম। ১৭ ডিসেম্বর শেষ হবে উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটিতে।

কোচবিহারের তুফানগঞ্জ থেকে ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’ পথে এগোচ্ছে সিপিএম। ছবি: সোশাল মিডিয়া।

যাত্রা শুরুর আগে কোচবিহারে পঞ্চানন বর্মা এবং আব্বাসউদ্দিনের জন্মস্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয় সিপিএমের তরফে। ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’ নিয়ে একটি গানও প্রকাশ করেছে আলিমুদ্দিন। আজ তুফানগঞ্জে এই কর্মসূচির সূচনা করেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ ছাত্র-যুব নেতৃত্ব। কিন্তু মূল যাত্রাপথে পড়ছে মাত্র ১১টি জেলা। মূল যাত্রা থেকে বাদ থাকছে হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতার মতো জেলাগুলি। আর তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে পার্টির একাংশে। নির্বাচনে যেখানে ভালো ফলের সম্ভাবনা নেই, সাংগঠনিকভাবে পার্টির ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাও নেই, সে কারণেই কি বাদ দেওয়া হচ্ছে কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার মতো জেলাগুলি? বহু যাত্রা কলকাতায় এসে শেষ হয়, এর আগে ‘ইনসাফ যাত্রা’ও তাই হয়েছিল। কিন্তু এবার কেন ব্যতিক্রম? কেন মূল যাত্রা থেকে কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো জেলাকে বাদ রাখা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন পার্টির অন্দরেও।

Advertisement
তুফানগঞ্জে সভা সিপিএমের। ছবি: সোশাল মিডিয়া।

যদিও নেতৃত্বের দাবি, সেখানে তো উপযাত্রা হচ্ছেই। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বক্তব্য, ”বঞ্চনার প্রশ্ন নেই। পরিকল্পনা এভাবেই হয়। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশিশ্চম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ইত্যাদি জেলায় যাত্রা হবে। আবার পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া কানেক্ট করবে। এটাকেই বলে নিবিড় যাত্রা। স্থানীয় লোকাচার, সংস্কৃতির উপর আমরা জোর দিচ্ছি। সেখানকার ইস্যুগুলিতে জোর দেওয়া হচ্ছে।” আবার নেতাদের অনেকে মনে করছেন, ভোটে সম্ভাবনা থাকা বিধানসভা কেন্দ্রগুলিকে পাখির চোখ করে প্রচারে নামতে চাইছে সিপিএম নেতৃত্ব।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.