Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Bimal Gurung

জিটিএ-তে লাগামছাড়া দুর্নীতি! নির্বাচন মিটতেই ‘লালকুঠি’ ঘেরাওয়ের ডাক গুরুংয়ের

বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতে পাহাড়ের রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টাতে শুরু করেছে। নির্বাচনে বাজিমাতের পর গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিমল গুরুংয়ের লক্ষ্য হয়েছে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ২০:৩০

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
জিটিএ-তে লাগামছাড়া দুর্নীতি! নির্বাচন মিটতেই ‘লালকুঠি’ ঘেরাওয়ের ডাক গুরুংয়ের zoom
‘লালকুঠি’ ঘেরাওয়ের ডাক গুরুংয়ের।
Advertisement

বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতে পাহাড়ের রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টাতে শুরু করেছে। নির্বাচনে বাজিমাতের পর গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিমল গুরুংয়ের লক্ষ্য হয়েছে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ)। স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির অভিযোগে ১৪ মে ‘লালকুঠি’ ঘেরাও অভিযানের ডাক দিয়েছেন তিনি। ওই দিন বিধানসভা নির্বাচনের সাফল্যের জন্য বিজয় দিবসও পালিত হবে। পাশাপাশি দ্রুত তিন পুরসভার নির্বাচনের দাবিতেও সরব গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। শুরু হয়েছে বিক্ষোভ আন্দোলন।

বিমল গুরুং বলেন, “এই আন্দোলন পাহাড়ের বঞ্চিত ছাত্রছাত্রী, বেকার যুবক এবং হকারদের জন্য। লাগামহীন স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির জন্য অনীত থাপার নেতৃত্বাধীন জিটিএ ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। তারই প্রতিবাদে ১৪ মে ‘লালকুঠি’ ঘেরাও অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে।” যদিও জিটিএ প্রধান অনীত থাপা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি একই দিনে দার্জিলিংয়ে শান্তি মিছিল করব।” গুরুং জানান, গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সদর দপ্তর লাল কুঠি ঘেরাও করার আগে সকাল ১১টায় দার্জিলিং চৌরাস্তায় জমায়েত হবে। সেখান থেকে মিছিল যাবে লালকুঠিতে। 

Advertisement

বিমল গুরুং বলেন, “এই আন্দোলন পাহাড়ের বঞ্চিত ছাত্রছাত্রী, বেকার যুবক এবং হকারদের জন্য। লাগামহীন স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির জন্য অনীত থাপার নেতৃত্বাধীন জিটিএ ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। তারই প্রতিবাদে ১৪ মে ‘লালকুঠি’ ঘেরাও অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে।”

গুরুং আশ্বস্ত করে বলেন, “আন্দোলন শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিকভাবে এবং সুশৃঙ্খল হবে।” তিনি অভিযোগ করেন, পানীয় জল প্রকল্প, শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। জিটিএ একসময় ‘সুন্দর প্রশাসনিক’ ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হতো। সেটা নষ্ট করেছেন অনীত থাপা। গুরুং বলেন, “এখন পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের সময় এসেছে। পাহাড়ের ১১টি গোর্খা উপজাতি সম্প্রদায়ের জন্য তফসিলি উপজাতির মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। এই অঞ্চলের জন্য সাংবিধানিক ব্যবস্থাই সর্বোত্তম সমাধান।”

এদিকে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার অভিযোগ, ২০২২ সাল থেকে পাহাড়ের দার্জিলিং, কালিম্পং, মিরিক পুরসভায় নির্বাচন হয়নি। প্রশাসক নিয়োগ করে অনীত থাপারা তৃণমূলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিজেদের মতো চালাচ্ছিলেন। সেখানেও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। পুরসভাগুলোর সমস্ত ফাইল ফ্রিজ করে নির্বাচনের দাবিতে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ৫ মে কালিম্পংয়ে বিক্ষোভ দেখায়। ৬ মে কালিম্পং পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “পুরসভাগুলোর কোনও তথ্য যেন নষ্ট না-করা হয় সেজন্য জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নজর রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.