Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
East Midnapore

মন্দিরে সিসিটিভির নজরদারি! শুভেন্দুর জেলায় পুলিশের নির্দেশ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

নাড়াদাড়ি শিব মন্দিরে বিগ্রহের সুরক্ষায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে এবং নিয়োগ করতে হবে স্থায়ী প্রহরী, পুলিশের এই নোটিস ঘিরেই বিতর্ক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৫:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৫:০৬

options
link
মন্দিরে সিসিটিভির নজরদারি! শুভেন্দুর জেলায় পুলিশের নির্দেশ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক zoom
নন্দকুমারের এই মন্দিরে সিসিটিভি বসানোর পুলিশি নির্দেশিকা ঘিরে বিতর্ক। নিজস্ব ছবি
Advertisement

মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি কেন? পূর্ব মেদিনীপুর (East Midnapore) জেলা পুলিশের নির্দেশ ঘিরে তুঙ্গে তরজা। এনিয়ে বিরোধী দলনেতা ও পুলিশ সুপারের মধ্যে কার্যত বাকযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। মন্দিরে কেন সিসিটিভি বসাতে হবে? কেনই বা রাখতে হবে সর্বক্ষণের পাহারাদার? পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার থানার দেওয়া একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে সরগরম জেলার রাজনীতি। বিগ্রহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই ‘নিদান’ ঘিরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে জেলায়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনায় সরব হয়েছেন। তখন পুলিশের দাবি, এটা নিছকই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ।

সম্প্রতি নন্দকুমার থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কার্তিক হাঁসদার সই করা একটি চিঠি পৌঁছয় এলাকার নাড়াদাড়ি শিব মন্দির কমিটির কাছে। চিঠিতে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিগ্রহের সুরক্ষায় মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে এবং নিয়োগ করতে হবে একজন স্থায়ী প্রহরী।

সম্প্রতি নন্দকুমার থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কার্তিক হাঁসদার সই করা একটি চিঠি পৌঁছয় এলাকার নাড়াদাড়ি শিব মন্দির কমিটির কাছে। চিঠিতে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিগ্রহের সুরক্ষায় মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে এবং নিয়োগ করতে হবে একজন স্থায়ী প্রহরী। এই চিঠির ছবি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বিস্ফোরক দাবি করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর প্রশ্ন, রাজ্যে কি তবে মন্দির সুরক্ষিত নয়?

Advertisement

একই সুর শোনা গিয়েছে মন্দিরের সেবাইত তথা বিজেপি নেতা সন্দীপ চক্রবর্তীর গলাতেও। তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি? এরপর তো বলা হবে মহিলারা নিজেদের পাহারা নিজেরা দিন, সরকার নিরাপত্তা দিতে পারবে না।” এই বিতর্কের মাঝে পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে স্পষ্ট জানান, কোনও নির্দিষ্ট ধর্মস্থান নয়, বরং ব্যাঙ্ক ও অফিসের মতো সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই নজরদারি বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুরক্ষা বজায় রাখাই আমাদের লক্ষ্য। নিরাপত্তা কঠোর করতেই এই সিদ্ধান্ত।”

শুভেন্দুর আপত্তি নিয়ে সরব হয়েছেন নন্দকুমারের তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার দে। অভিযোগ উড়িয়ে তাঁর দাবি, “মন্দিরে চুরি-ছিনতাই করে একদল দুষ্কৃতী তাতে ধর্মীয় রং লাগানোর চেষ্টা হচ্ছে। এই অপরাধীদের রুখতেই নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেছে পুলিশ। বিজেপি অহেতুক মিথ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্দিরটির সংস্কার আমি করিয়েছি এবং প্রতি বছর সেখানে যাই। আমরা হিন্দু, সেটা কাউকে প্রমাণ দিতে হবে না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.