Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Maynaguri

কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে খুন! বাবাকে বাঁচাতে থানায় ছুটল ছেলে

ঘটনায় নাম জড়িয়েছে এলাকার তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৪, ১৭:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৪, ১৭:১৩

options
link
কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে খুন! বাবাকে বাঁচাতে থানায় ছুটল ছেলে zoom
Advertisement

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: ফের গণপিটুনিতে মৃত্যু! পুরনো বিবাদের জেরে এক কংগ্রেস কর্মীকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে। ঘটনায় নাম জড়িয়েছে এলাকার তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মানিক রায়। ময়নাগুড়ির হঠাৎ কলোনির বাসিন্দা। তাঁর আত্মীয় বিজয় রায় জানিয়েছেন, ৫ বছর বাড়িছাড়া মানিক। শিলিগুড়িতে থাকতেন। গত রবিবার বাড়ি ফিরেছিলেন। তার পর থেকেই এলাকার কিছু লোক হুমকি দিচ্ছিল। বুধবার রাতে এসে হামলা চালায়। অভিযোগ, এলাকার ৩০-৩৫ জন মিলে গাছে বেঁধে মারধর করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নদী পেরিয়ে থানায় ছোটে তার ছেলে ভক্ত রায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত তিনটে নাগাদ মানিকের মৃত্যু হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নিখুঁত তথ্য, চোখা আক্রমণ আর শ্লেষের মিশেল, সুবক্তা অভিষেকের প্রতিষ্ঠা লোকসভায়!]

ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী তথা মৃতের ছেলে ভক্ত রায় বলে, “রাতে বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলাম। হঠাৎ কয়েক জন ঢিল মারতে শুরু করে। বলতে থাকে, বেরিয়ে আয়। বাবা বেরলে, মারধর করতে শুরু করে। আমি থানায় ছুটে যাই। পুলিশ গাড়িতে করে আমাকে নিয়ে এসে বাবাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।”  এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলে দাবি তৃণমূল এবং বিজেপির।পুরনো বিবাদকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা বলে দাবি।

[আরও পড়ুন: জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজ্যে রেল প্রকল্পে দেরি! মমতাকে চিঠি দিচ্ছেন রেলমন্ত্রী]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.