Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

‘পাতাল থেকে খুঁজে আনব’, বাগনানে দলীয় কর্মী খুনে কড়া শুভেন্দু

পুলিশমন্ত্রী হিসেবে নিজের দায়িত্বের কথা মনে করলেন মুখ্যমন্ত্রী। দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ হবেই, জানালেন তিনি।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৯:০৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৯:০৩

options
link
‘পাতাল থেকে খুঁজে আনব’, বাগনানে দলীয় কর্মী খুনে কড়া শুভেন্দু zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

খুনের কড়া শাস্তি হবেই! দরকারের অভিযুক্তদের পাতাল থেকে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশমন্ত্রী হিসেবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে বোঝাতে হবে যে আইন হাতে তুলে নিয়ে যা খুশি করা যাবে না। শনিবার বিকেলে বাগনানে নিহত দলীয় কর্মী প্রশান্ত দে-র বাড়ি গিয়ে পরিবারকে আশ্বাস দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্পষ্ট জানালেন, ‘‘প্রশান্ত খুনের খবর পেয়ে শুরু থেকেই আমি নজর রাখছিলাম। সিট তৈরি করে তদন্ত শুরু হয়। ৫১ জনের নামে এফআইআর হয়েছিল। ধরা পড়েছে ১০ জন। আমি বলছি, দরকারে পাতাল থেকে তুলে এনে গ্রেপ্তার করতে হবে। আমি এসপিকে বলেছি। পুলিশমন্ত্রী হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব।”

বিচারপ্রক্রিয়া নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘‘গ্রেপ্তার পর্ব শেষের পর আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীনই চার্জশিট তৈরির কাজ হবে। দোষীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যাতে এখানে কেউ আর আইন হাতে তুলে নিরীহ মানুষদের উপর বিন্দুমাত্র অত্যাচার করার সাহস না পায়। বোঝাতে হবে, আইনের শাসন চলবে। এতদিন শাসকের আইন চলত বলেই আজ এই পরিস্থিতি হয়েছে। প্রশান্ত নেই বলে তাঁর পরিবারকে একা করে দিতে পারব না আমরা। তাই আজ এসে ওঁদের কিছু সাহায্য করে গেলাম।”

গত ১৭ জুন রাতে বাগনান ৫ নম্বর মণ্ডলের ১৯৭ নম্বর বুথের সহ-সভাপতি, বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা প্রশান্ত দে খুন হয়েছিলেন। বিজেপির দাবি, একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় প্রশান্ত দে-র। তাঁর খোঁজে বারবার ফোন করেন বাড়ির লোকজন। কয়েকবার ফোন না ধরলেও শেষবার ফোনে জানানো হয়, ”মার্ডার করে দিয়েছি, নিয়ে যা। তোরা কেউ এলেও খুন করে ফেলব।” এতে অভিযোগের আঙুল ওঠে তৃণমূলের উপপ্রধান মফিজুল রহমানের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।

Advertisement

এদিন সম্ভবত তাঁকে নিশানা করেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, পাতাল থেকে খুঁজে এনে গ্রেপ্তার করতে হবে। বিচারপ্রক্রিয়া নিয়েও মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘‘গ্রেপ্তার পর্ব শেষের পর আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীনই চার্জশিট তৈরির কাজ হবে। দোষীদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যাতে এখানে কেউ আর আইন হাতে তুলে নিরীহ মানুষদের উপর বিন্দুমাত্র অত্যাচার করার সাহস না পায়। বোঝাতে হবে, আইনের শাসন চলবে। এতদিন শাসকের আইন চলত বলেই আজ এই পরিস্থিতি হয়েছে। প্রশান্ত নেই বলে তাঁর পরিবারকে একা করে দিতে পারব না আমরা। তাই আজ এসে ওঁদের কিছু সাহায্য করে গেলাম।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.