Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Nandigram

নন্দীগ্রামে ফের বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, আদি-নব্য বিবাদে রক্তারক্তি কাণ্ড! আহত ২

কম্বল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিজেপির দুই নেতার মধ্যে বচসা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৪:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৪:২৩

options
link
নন্দীগ্রামে ফের বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, আদি-নব্য বিবাদে রক্তারক্তি কাণ্ড! আহত ২ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুভেন্দু গড় নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষ। কম্বল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিজেপির দুই নেতার মধ্যেই প্রথমে বচসা! এরপর তা হাতাহাতিতে গিয়ে গড়ায়। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দুই বিজেপি নেতা। ইতিমধ্যে তাঁদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকের গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার পিছনে রয়েছে বিজেপির আদি ও নব্য গোষ্ঠীর আধিপত্যের লড়াই! যা নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লক, কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন, ”নন্দীগ্রামে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত বিজেপি।” এমনকী আদি এবং নব্য নেতাদের লড়াইয়ে এই ঘটনা বলেও কটাক্ষ তৃণমূল নেতার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবার সকালে বিজেপির তরফে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। নন্দীগ্রাম (Nandigram) এক নম্বর ব্লকের গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শিমুলকুন্ড নজরুল এসএসকে বিদ্যালয়ের সামনে এই অনুষ্ঠান ছিল বিজেপির। মূলত সমবায় নির্বাচনের প্রচারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপিনেতা অশোক কারণ এদিন কম্বন বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ মাইতি। সেই অনুষ্ঠান চলাকালীনই প্রকাশ্যে বচসায় জড়ান দুই বিজেপি নেতা।

Advertisement

জানা যায়, বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য নন্দীগ্রাম এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সাহেব দাসের গোষ্ঠীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে উভয়পক্ষ। রীতিমতো বিজেপি নেতারা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রকাশ্যে এই ঘটনায় স্থানীয় মানুষজন হকচকিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্নীতি নিয়ে বচসা শুরু হয়। একপক্ষ যখন দিলীপ ঘোষের নামে স্লোগান দিচ্ছে, অন্যপক্ষ তখন শুভেন্দু অধিকারীর জয়গান গাইছে। এই নেতা নির্ধারণের লড়াই মুহূর্তেই রূপ নেয় হাতাহাতিতে। ঘটনায় গুরুতর আহত হন মেঘনাদ পাল, অভিজিৎ মাইতি ও অশোক করণের মতো একাধিক নেতা।

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। আহত দু’জনকে দ্রুত উদ্ধার করে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠায় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, জানা গিয়েছে, সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই দুই বিজেপি নেতা। বাপ্পাদিত্য গর্গে এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, ”বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে গোষ্ঠী সংঘর্ষে জর্জরিত বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারীকে নন্দীগ্রামের আদি বিজেপি নেতারা মেনে নিতে পারছে না। সম্প্রতি দিলীপ ঘোষ সক্রিয় হয়েছেন। এরপরেই আদি বিজেপি নেতারা সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।” এরফলে প্রত্যেকদিনই আদি এবং নব্য বিজেপি নেতারা নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন বলে তোপ তৃণমূল নেতার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.