Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Malbazar

সর্ষের মধ্যে ভূত! ভুয়ো সার্টিফিকেট জালিয়ালিতে থানাতেই গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার

এই চক্রে আর কতজন জড়িয়ে আছে? ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৫, ১৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৫, ১৯:৪২

options
link
সর্ষের মধ্যে ভূত! ভুয়ো সার্টিফিকেট জালিয়ালিতে থানাতেই গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার zoom
আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ধৃতকে। নিজস্ব চিত্র

অরূপ বসাক, মালবাজার: সর্ষের মধ্যেই ভূত। ভুয়ো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট বানানোর অভিযোগে এবার থানাতেই গ্রেপ্তার সিভিক ভলান্টিয়ার। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির মালবাজার থানায়। অভিযোগ সামনে আসার পরেই ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম মনিরুল ইসলাম। থানায় কর্মরত অবস্থায় ওই ব্যক্তি কীভাবে জালিয়াতির কাজ করছিল? সেই প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ গোটা বিষয়টিতে মুখে কুলুপ এটেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেনাবাহিনীতে অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পুলিশের ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী, অনলাইনে নির্ধারিত সময়সীমা মেনে আবেদন করতে হয়। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষ হলে তবেই এই সার্টিফিকেট মেলে। অভিযোগ, এই প্রক্রিয়া এড়িয়ে মনিরুল ইসলাম জালিয়াতি শুরু করে। অফলাইন পদ্ধতিতে মোট ২২ জন প্রার্থীর নামে ভুয়ো এই সার্টিফিকেট তৈরি করে দেন বলে অভিযোগ। গোটা বিষয়টি সকলের অগোচরে ছিল। রবিবার সন্ধ্যায় কয়েক জন যুবক থানায় গিয়ে সার্টিফিকেটে দেওয়া পিন কোড সংশোধনের আবেদন করেন।

Advertisement

সেটি দেখেই সন্দেহ হয় থানার আধিকারিকদের। থানা থেকে এমন কোনও সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়নি বলেও জানা যায়। ওই যুবকদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন পুলিশ আধিকারিকরা। এরপরেই সব ঘটনা সামনে আসে। মোটা টাকার বিনিময়ে এই জালিয়াতির কারবার ওই সিভিক ভলান্টিয়ার চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীরা মনিরুল ইসলামকে রাতেই গ্রেপ্তার করেন। ধৃতকে সোমবার নিজের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে। কত দিন ধরে এই জালিয়াতি চলছে? এখনও অবধি এভাবে কত ভুয়ো সার্টিফিকেট সে জালিয়াতি করেছে? এই চক্রে আর কতজন জড়িয়ে আছে? থানার অন্যান্য কোনও কর্মীও কি এই জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত? সেসব প্রশ্ন উঠছে। মালবাজার থানার এসডিপিও রোশন প্রদীপ দেশমুখ জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.