Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
North Bengal security

দিল্লি বিস্ফোরণের পরেই হাই অ্যালার্ট ‘চিকেনস নেকে’, সতর্ক বিএসএফ-এসএসবি

রেল স্টেশন, বাস স্টপগুলিতে চলছে নাকা তল্লাশি৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৩:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৩:০২

options
link
দিল্লি বিস্ফোরণের পরেই হাই অ্যালার্ট ‘চিকেনস নেকে’, সতর্ক বিএসএফ-এসএসবি zoom
শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য, শিলিগুড়ি : সোমবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে দিল্লি। লালকেল্লা সংলগ্ন এলাকায় প্রবল এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপরেই বাংলা-সহ দেশের সমস্ত রাজ্যে চরম সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাই অ্যালার্ট জারি হয়েছে উত্তরবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ এবং নেপাল সীমান্তে। একেবারে নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে ‘চিকেনস নেক’ অর্থাৎ শিলিগুড়ি করিডোর। রেল স্টেশনে, বাস স্টপগুলিতে চলছে নাকা তল্লাশি৷ এমনকী স্থানীয় হোটেলগুলিতেও বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

উত্তরবঙ্গের আইজি রাজেশ কুমার যাদব বলেন, “সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি থানাকে সতর্ক করা হয়েছে। বিএসএফ এবং এসএসবি আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রত্যেক জেলায় নাকা তল্লাশি শুরু করা হয়েছে ।” শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি রাকেশ সিং বলেন, “শহরের প্রতিটি হোটেলে তল্লাশি চলছে। বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশনেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিমানবন্দরেও সিআইএসএফ নজরদারি বাড়িয়েছে।”

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, বরাবরই জঙ্গিদের সফট টার্গেটে ‘চিকেনস নেক’। এখানেই রয়েছে নেপাল, বাংলাদেশ, ভুটান সীমান্ত৷ পাশাপাশি রয়েছে বিহার, সিকিম ও অসম সীমানা। তাই ঝুঁকি এড়াতে দিল্লিতে বিস্ফোরণের পর শিলিগুড়িতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। চলছে নাকা তল্লাশি। সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কারণ, চিকেনস নেক উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র পথ। দিল্লিতে বিস্ফোরণের পরই এখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক হাই-অ্যালার্ট জারি করেছে।

সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুলবাড়ি সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সর্দারপাড়া, ধদাগছ, জুমাগছ, লক্ষ্মীস্থান, ভুরিভিটা, নারায়ণজোতের মতো বারোটি গ্রাম রয়েছে। সেখানে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের বসবাস। সেখানে বিএসএফের তরফে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে কোচবিহার পর্যন্ত উত্তরের পাঁচ জেলায় প্রায় চার হাজার কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা। এখানে নজরদারি চালাচ্ছে চার সেক্টরের ১৮টি বিএসএফ ব্যাটেলিয়ন। ভারত-নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)। এসএসবির তরফেও দেশের সুরক্ষায় কোনও খামতি রাখা হচ্ছে। চলছে বিশেষ নজরদারি। উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং সিকিমের সঙ্গে রয়েছে নেপাল সীমান্ত। ১ হাজার ৭৫১ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে ভারত-নেপালের। এর মধ্যে দার্জিলিং জেলায় রয়েছে প্রায় একশো কিলোমিটার। সেখানেও চলছে নাকা তল্লাশি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.