Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bhangar

৮ দিনের লড়াই থামল, ভাঙড়ে কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে মারা গেল বালক!

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েও শেষপর্যন্ত জিততে পারল না। হাসপাতালেই মারা গেল ভাঙড়ের কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে গুরুতর জখম বালক। মৃতের নাম সাদিকুল আহমেদ। আজ, বুধবার ভোরে ওই বালক মারা যায়। তার শরীর ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৪:২০

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৪:২০

options
link
৮ দিনের লড়াই থামল, ভাঙড়ে কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে মারা গেল বালক! zoom
প্রতীকি ছবি।

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েও শেষপর্যন্ত জিততে পারল না। হাসপাতালেই মারা গেল ভাঙড়ের (Bhangar) কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে গুরুতর জখম বালক। মৃতের নাম সাদিকুল আহমেদ। আজ, বুধবার ভোরে ওই বালক মারা যায়। তার শরীর ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নার রোল উঠেছে। এলাকার লোকজনও শোকগ্রস্ত। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর বাড়ির লোকেদের হাতে তুলে দেওয়া হয়ে বলে খবর। 

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েও শেষপর্যন্ত জিততে পারল না শিশু। হাসপাতালেই মারা গেল ভাঙড়ের কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে গুরুতর জখম বালক। মৃতের নাম সাদিকুল আহমেদ। আজ, বুধবার ভোরে ওই বালক মারা যায়। তার শরীর ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নার রোল উঠেছে। এলাকার লোকজনও শোকগ্রস্ত। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর বাড়ির লোকেদের হাতে তুলে দেওয়া হয়ে বলে খবর।

Advertisement

আজ, বুধবার ভোরে ওই বালক মারা যায়। তার শরীর ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নার রোল উঠেছে। এলাকার লোকজনও শোকগ্রস্ত।

জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগেই ক্যানিং বিধানসভার অন্তর্গত ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল। গত মঙ্গলবার, ১৭ তারিখ বিকেলে ওই রাস্তায় প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল (এলডিও) বোঝাই একটি ড্রাম রাখা ছিল। ড্রামের পাশেই খেলছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী চার পড়ুয়া। হঠাৎই বিকট শব্দে ফেটে যায় ড্রামটি। বিস্ফোরণের তীব্রতায় এক বালক মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়, বাকি তিনজনও কমবেশি দগ্ধ ও আহত হয়। দহনযন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে একজন পাশের পুকুরে ঝাঁপও দেয়!

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তদন্তে যায় পুলিশ। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাদের নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। আহতদের মধ্যে সাদিকুল আহমেদ নামে ওই খুদের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে খবর। যদিও গত এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিল সে। ডাক্তাররাও খুব একটা আশার কথা শোনাতে পারছিলেন না। শেষপর্যন্ত লড়াই থামল। এদক ভোরে ওই বালক মারা গেল।

হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছে বাকি দুই জখম বালকও। তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। ওই দিন ঘটনার পরই ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তদন্তে নামে পুলিশ। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে কলকাতা পুলিশের বোমা স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে। রাস্তা মেরামতির কাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কিনা, দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে স্থানীয়রা।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.