মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েও শেষপর্যন্ত জিততে পারল না। হাসপাতালেই মারা গেল ভাঙড়ের (Bhangar) কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে গুরুতর জখম বালক। মৃতের নাম সাদিকুল আহমেদ। আজ, বুধবার ভোরে ওই বালক মারা যায়। তার শরীর ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নার রোল উঠেছে। এলাকার লোকজনও শোকগ্রস্ত। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর বাড়ির লোকেদের হাতে তুলে দেওয়া হয়ে বলে খবর।
মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েও শেষপর্যন্ত জিততে পারল না শিশু। হাসপাতালেই মারা গেল ভাঙড়ের কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে গুরুতর জখম বালক। মৃতের নাম সাদিকুল আহমেদ। আজ, বুধবার ভোরে ওই বালক মারা যায়। তার শরীর ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নার রোল উঠেছে। এলাকার লোকজনও শোকগ্রস্ত। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর বাড়ির লোকেদের হাতে তুলে দেওয়া হয়ে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
আজ, বুধবার ভোরে ওই বালক মারা যায়। তার শরীর ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নার রোল উঠেছে। এলাকার লোকজনও শোকগ্রস্ত।
জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগেই ক্যানিং বিধানসভার অন্তর্গত ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল। গত মঙ্গলবার, ১৭ তারিখ বিকেলে ওই রাস্তায় প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল (এলডিও) বোঝাই একটি ড্রাম রাখা ছিল। ড্রামের পাশেই খেলছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী চার পড়ুয়া। হঠাৎই বিকট শব্দে ফেটে যায় ড্রামটি। বিস্ফোরণের তীব্রতায় এক বালক মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়, বাকি তিনজনও কমবেশি দগ্ধ ও আহত হয়। দহনযন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে একজন পাশের পুকুরে ঝাঁপও দেয়!
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তদন্তে যায় পুলিশ। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাদের নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। আহতদের মধ্যে সাদিকুল আহমেদ নামে ওই খুদের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তার শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল বলে খবর। যদিও গত এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিল সে। ডাক্তাররাও খুব একটা আশার কথা শোনাতে পারছিলেন না। শেষপর্যন্ত লড়াই থামল। এদক ভোরে ওই বালক মারা গেল।
হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছে বাকি দুই জখম বালকও। তাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। ওই দিন ঘটনার পরই ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তদন্তে নামে পুলিশ। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে কলকাতা পুলিশের বোমা স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে। রাস্তা মেরামতির কাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কিনা, দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার