ভোটে জয়ের পরই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। শেষপর্যন্ত নৈহাটির বড়মা (Boro Maa) মন্দিরের পরিচালন কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর হল। নবনির্বাচিত বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে ট্রাস্টি বোর্ডের বৈঠকে বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত পুরনো কমিটির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্যই দৈনন্দিন কাজকর্ম সামলাবেন। শুধু তাই নয়, এবার থেকে বড়মা মন্দিরে ‘ভিআইপি কালচার’ বন্ধের বার্তা দিয়েছেন নৈহাটির বিধায়ক। এখন থেকে ‘ভিআইপি’দের জন্য আলাদা করে প্রতিমা দর্শণের ব্যবস্থা নয়। সাধারণ মানুষদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়েই প্রতিমা দর্শণ করতে হবে।
এই বিষয়ে আরও খবর
এতদিন মন্দির কমিটির সভাপতি ছিলেন নৈহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়। ১৬জনের কমিটিতে বিদায়ী বিধায়ক, তৃণমূল কাউন্সিলরের পরিবারের সদস্য এবং সাংসদের ঘনিষ্ঠদের প্রভাব ছিল বলেই বিজেপির অভিযোগ। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন নতুন বিধায়ক নিজেই। বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, বড়মা কোনও রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়। সেই কারণেই নতুন কমিটিতে স্থানীয় শিক্ষক, চিকিৎসক-সহ বিশিষ্টজনদের নিয়ে নতুন কমিটি গড়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, বড়মা কোনও রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়। সেই কারণেই নতুন কমিটিতে স্থানীয় শিক্ষক, চিকিৎসক-সহ বিশিষ্টজনদের নিয়ে নতুন কমিটি গড়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
নৈহাটির সন্তান সঙ্গীতশিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানোর কথাও বলা হয়। তিনি আরও বলেন, জুন মাসের শুরুতে নতুন কমিটি গঠন হবে। একই সঙ্গে মন্দিরে ‘ভিআইপি সংস্কৃতি’ নিয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছেন বিধায়ক। অভিযোগ ছিল, বিশেষ সুবিধাভোগীদের জন্য সাধারণ ভক্তদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হত। সেই প্রথা বন্ধের ইঙ্গিত দিয়ে সুমিত্র বলেন, সাংবিধানিক পদাধিকারী সহ যাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে, তাঁদের ছাড়া কাউকেই আলাদা সুবিধা দেওয়া হবে না। সকলকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পুজো দিতে হবে।
উল্লেখ্য, একশো বছরেরও বেশি পুরনো এই জাগ্রত বড়মাকে ঘিরে ভক্তদের আবেগ দীর্ঘদিনের। দীপান্বিতা কালীপুজোয় গোটা এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হলেও এখন প্রায় সারা বছরই উপচে পড়ছে ভিড়। উত্তর ২৪ পরগনার পাশাপাশি নদিয়া, হুগলি, কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলা থেকেও প্রতিদিন ভক্তরা আসেন। সেই বাড়তি ভিড় সামলাতে দর্শনার্থীদের দর্শন ও পুজো দেওয়ার জন্য আলাদা লাইনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন বিধায়ক। বিদায়ী কমিটির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য বলেন, বিধায়কের নির্দেশ মেনেই প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত নতুন কমিটি গঠন হবে। ভক্তদের পুজো দিতে কোনও সমস্যা হবে না।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
মায়েরা সব পারেন! ৩ মাসের সন্তান কোলেই ইইউ বৈঠকে ভাষণ সুইডিশ মন্ত্রীর, ভিডিওয় মুগ্ধ দুনিয়া
-
প্রচুর রিসার্চ, তারপর রিহার্সাল করে খুন! হবু স্বামী কেতনকে হত্যা করতে নীল নকশা সিয়ার
-
জাপানের বিরুদ্ধে প্রথম দলে দেখা যাবে নেইমারকে? লাখ টাকার প্রশ্ন ব্রাজিল শিবিরে
-
বৃদ্ধ দম্পতিকে ভাড়া না দিয়েই বছরের পর বছর তৃণমূল পার্টি অফিস! সেই ঘর দখলমুক্ত বিজেপির
-
আসছে শিবের প্রিয় শ্রাবণ মাস, ভোলেবাবাকে তুষ্ট করতে অবশ্যই মেনে চলুন এই ৭ নিয়ম



