বিক্রম রায়, কোচবিহার: দিনকয়েক আগে রেল লাইনের ধারে উদ্ধার হয় বিজেপিকর্মীর দেহ। স্থানীয় ক্লাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ যুবকের বাবার। অভিযোগ, চাহিদা মতো দুর্গাপুজোর চাঁদা না দেওয়ায় তাঁর ছেলেকে খুন করেছেন ক্লাবের সদস্যরা। ঘটনাটি ঘটেছে, কোচবিহারের মাথাভাঙার পূর্ব শিলডাঙা এলাকায়। তদন্তে পুলিশ।
মৃত যুবকের নাম প্রলয় বর্মন। বয়স ২১ বছর। তিনি শিলডাঙা এলাকার বাসিন্দা। পুজোর আগে ২৫ সেপ্টেম্বরের রাতে রেল লাইনের ধার থেকে যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের বাবা অধীর বর্মনের অভিযোগ তাঁর ছেলেকে খুনের পর রেললাইনের ধারে ফেলে দেওয়া হয়েছে। দেহ উদ্ধারের কয়েকদিন পর বুধবার থানায় অভিযোগ জানান তিনি। তিনি জানিয়েছেন, ২৫ তারিখ রাতে বাড়ি ফিরছিলেন প্রলয়। সেই সময় স্থানীয় বিধানপল্লি ক্লাবের সদস্যরা তাঁকে আটকায়। ফোন যায় অধীরের কাছে। ক্লাবে গিয়ে তিনি ছেলের বাইক ও মোবাইল পান। কিন্তু প্রলয়ের খোঁজ পাননি। পরে গভীররাতে এলাকার রেললাইনের ধারে পড়ে থাকতে দেখা যায় প্রলয়কে। অধীরবাবুর অভিযোগ, ওই ক্লাব থেকে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। সেটা তিনি দিতে পারেননি, সেই কারণেই ছেলেকে মেরে দুর্ঘটনার তত্ত্ব খাড়া করা হয়েছে। কিন্তু এতদিন পরে অভিযোগ দায়ের কেন? অধীর জানাচ্ছেন, এই ঘটনার পর তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ পুলিশ প্রথমে কথা শোনেনি। শেষ পর্যন্ত গত বুধবার পুলিশ অভিযোগ নিয়েছে।
এদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে ক্লাবের সদস্যরা। তারা জানিয়েছেন, পুজোর সময় সদস্যরা পুলিশের গার্ডরেল লাগিয়ে রাস্তায় আলপনা দিচ্ছিলেন। বিজেপিকর্মী অধীর বর্মনের ছেলে সেখানে তীব্র গড়িতে বাইক নিয়ে এসে ধাক্কা মারে। তারপর ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রলয়কে আটক করা হয়েছিল। যদিও পড়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে রেল লাইনের ধারে দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার তদন্তে ঘোকসাডাঙা থানার পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
‘আমার নাম করে টাকা চাইলে…’, তোলাবাজদের বিরুদ্ধে কড়া ‘অ্যাকশনে’র হুঁশিয়ারি বিধায়ক রত্নার
-
ঘুমের মধ্যেই চিরঘুম! রাতের বৃষ্টিতে ভাঙল মাটির বাড়ি, দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু বাবা-মেয়ের
-
আমেরিকার গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে ভয়ংকর হড়পা বান! অন্তত ২০ জন নিখোঁজ, মৃত্যুর আশঙ্কা
-
যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে ইন্দ্রপতন! দু’দশক পর প্রথম রাউন্ডে চোখের জলে বিদায় জোকোভিচের
-
শিয়ালদহ স্টেশনে নেই পর্যাপ্ত জল, কাজ করেনি অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাও, দমকলের অভিযোগে কী যুক্তি রেলের?