Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
West Bengal SIR

গুরুদায়িত্ব সামলেছেন SIR-এ, ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে দেখা গেল নাম বাদ খোদ বিএলওর!

দায়িত্ব নিয়ে এসআইআরের কাজ সামলেছেন। বিএলও হিসেবে একাধিক নথি, দাখিল থেকে এলাকার বাসিন্দাদের সকল প্রশ্নের জবাবও সাধ্যমতো দিয়েছেন সময়ে সময়ে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল ওই বিএলওরই নাম নেই! তালিকা দেখে হতবাক স্থানীয়রা থেকে ওই পরিবারের সদস্যরা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১৭:৩৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৬, ১৭:৩৫

options
link
গুরুদায়িত্ব সামলেছেন SIR-এ, ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে দেখা গেল নাম বাদ খোদ বিএলওর! zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

দায়িত্ব নিয়ে এসআইআরের (West Bengal SIR) কাজ সামলেছেন। বিএলও হিসেবে একাধিক নথি, দাখিল থেকে এলাকার বাসিন্দাদের সকল প্রশ্নের জবাবও সাধ্যমতো দিয়েছেন সময়ে সময়ে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল ওই বিএলওরই নাম নেই! তালিকা দেখে হতবাক স্থানীয়রা থেকে ওই পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার। ওই বিএলওর নাম দীপাঞ্জন বিশ্বাস।

আরও চাঞ্চল্যকর বিষয়, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর বাবা, দাদুর। তারপরেও খোদ বিএলওর চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। গাইঘাটা ব্লকের বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার চাঁদপাড়ার ১৭২ নম্বর পার্টের ঘটনা৷ ১৩২ নম্বর পার্টের বিএলও দীপাঞ্জন বিশ্বাস। গতকাল, শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পায়। দীপাঞ্জন বিশ্বাস তালিকা দেখেন। দেখা যায়, তাঁর নাম ডিলিট দেখাচ্ছে। দীপঞ্জন বলেন, “বাবার নামের বানান ভুলের কারণে লজিক্যাল ডিক্রিপেনসিতে তাঁকে এবং তাঁর ছোটভাইকে হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছিল।” নির্দিষ্ট দিনে শুনানিতে গিয়ে দুই ভাই হিয়ারিয়েং গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিও দেখিয়েছিলেন। তারপরও তাঁর নাম থাকল না চূড়ান্ত ভোটার তালিকায়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দীপঞ্জন বলেন, “আমি একজন বিএলও। বাবা-মা, ঠাকুরদাদার ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। পরিবারের সকলেন ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। কেবল তাঁর ক্ষেত্রে নামের পাশে ডিলিট লেখা।’ কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, বুঝতে পারছেন না তিনি! দীপাঞ্জনের বাবা দীপক বিশ্বাস জানান, আমার দুই ছেলে হিয়ারিংয়ে গিয়েছিল। ছোটছেলের নাম থাকলেও বড়ছেলের নাম কেটে দিয়েছে। আমাদের পরিবারের সকলের ভোট আছে। শুধু বড় ছেলের ক্ষেত্রে এমনটা হল। এর পেছনে চক্রান্ত থাকতে পারে।” গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, “কী কারণে নাম কাটা গেল এনুমারেশন ফর্ম দেখলে বোঝা যাবে। উনি যদি আবেদন করেন আমরা বিষটি ক্ষতিয়ে দেখব।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.