মনিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: এনুমারেশন ফর্ম ভোটারদের না দিয়ে ইচ্ছেমতো পূরণ করছেন বিএলও! তাতে একজনের এপিক নম্বরে দিচ্ছেন অন্যজনের ঠিকানা! এমনই ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে বিএলওর বিরুদ্ধে। যার জেরে বিপাকে শ্যামপুর ২ নম্বর ব্লকের শশটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কামিনা ১২২ নম্বর বুথের ভোটাররা। যদিও ব্লক প্রশাসনের বক্তব্য, এটা যান্ত্রিক সমস্যা। ভোটারদের চিন্তার কিছু নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কামিনা ১২২ নম্বর বুথের বিএলও মৃন্ময় পাল। তিনি দিনকয়েক আগে ওই বুথের কিছু ভোটারকে এনুমারেশন ফর্ম দিয়েছেন। অনেকের অভিযোগ, তিনি ফর্ম নিয়ে যাননি। এই অবস্থায় হাসানুজ্জামান খান নামে এক ব্যক্তি অনলাইনে ফর্ম ফিলআপ করার উদ্যোগ নেন। দিন দুয়েকআগে নিজের ফর্ম তিনি পূরণ করে সাবমিট করেন। এরপর যখন তিনি তার বাবা-মা-সহ পরিবারের কয়েকজনের ফর্ম পূরণ করে সাবমিট করতে যান, তখন দেখেন ওয়েবসাইটে দেখাচ্ছে ফর্ম সাবমিট হয়ে গিয়েছে। বিনা মেঘে বজ্রপাতের পরিস্থিতি। তিনি ভাবেন সাবমিট কীভাবে হল? এরপর তিনি দেখতে পান তাদের সাবমিট করা ফর্মে যে মোবাইল নম্বর দেওয়া রয়েছে তা তাদের পরিবারের কারও নয়।
হাসানুজ্জামান খান বলেন, “আমার বাবা-মা-সহ পাঁচজনের এমন হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি আরও ৩৪ জনের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে। সেখানে তাঁদের এপিক কার্ডের নম্বর রয়েছে কিন্তু একাধিক তথ্যে গরমিল। বিষয়টি দেখার পর তিনি বিএলওকে ফোন করেন। কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেননি বলেই অভিযোগ। এরপর তিনি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যদিও তাঁকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সমস্যা মিটে যাবে। কিন্তু তাতেও স্বস্তি পাচ্ছেন না হাসানুজ্জামান।
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের