Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
Khejuri

পুলিশের সঙ্গে বচসা-ধস্তাধস্তি, বন্‌ধের নামে খেজুরিতে ‘দাদাগিরি’ বিজেপির

খেজুরিতে দুই ব্যক্তির অস্বাভাবিক মৃত্যুর প্রতিবাদে বন্‌ধের ডাক বিজেপির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৫, ১৫:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৫, ১৫:১৫

options
link
পুলিশের সঙ্গে বচসা-ধস্তাধস্তি, বন্‌ধের নামে খেজুরিতে ‘দাদাগিরি’ বিজেপির zoom

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: বন্‌ধের নামে খেজুরিতে (Khejuri) ‘দাদাগিরি’ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। গায়ের জোরে জনজীবন ব্যাহত করার চেষ্টা করে গেরুয়া শিবির। তাতে বাধা দেয় পুলিশ। উর্দিধারীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে বন্‌ধ সমর্থনকারীরা। একপ্রস্থ ধস্তাধস্তিও হয়।

খেজুরি বিদ্যাপীঠের কাছে ফলের পেটি রেখে হেঁড়িয়া-খেজুরি রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন বন্‌ধ সমর্থনকারীরা। স্বাভাবিকভাবে তার ফলে যাতায়াতকারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের রাজ্য সড়কের উপর থেকে হঠাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাঁধে। এদিকে, সোমবার সকালেই বাঁশগোড়াতে গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত পুলিশ ৯ জন বন্‌ধ সমর্থককে গ্রেপ্তার করেছে বলে খবর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে বছর তেইশের সুজিত দাস এবং পঁয়ষট্টি বছর বয়সি চন্দ্র পাইকের মৃত্যু হয়। সুজিত পূর্ব ভাঙনমারি গ্রামের বাসিন্দা। চন্দ্র ঝাঁটিহারি বাসিন্দা। খবর পেয়ে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় খেজুরি থানার পুলিশ। প্রাথমিক অনুমান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়দেরও একই দাবি। তাঁরা জানান, অনুষ্ঠানস্থলের কাছে একটি হ্যালোজেন লাইট খুলে পড়ে দুই ব্যক্তির উপর। তার জেরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁদের। তবে শুভেন্দুর দাবি, ওই ব্যক্তিদের পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, মৃতদেহগুলিতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এদিকে, এই ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিওটি বিজেপির খুনে তত্ত্বে জল ঢেলে দিয়েছে আগেই। যা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে জেলাজুড়ে। কাঁথি সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি জালাউদ্দিন খান বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী বরাবর লাশের রাজনীতি করতে ভালোবাসেন। শকুনের মতো চেয়ে থাকেন কখন লাশ পড়বে আর তিনি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করবেন। এবারেও তার অন্যথা হয়নি। রাতে অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে দুই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। নিছক একটা দুর্ঘটনাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে বলে রাজনীতি করতে শুরু করেন বিরোধী দলনেতা। কিন্তু অনুষ্ঠান মঞ্চের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তাতে সত্য ঘটনা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এরপরেও বিজেপির লজ্জা করে না?” কাঁথির এসডিপিও দিবাকর দাস বলেন, “অভিযোগের তদন্ত চলছে। অনুষ্ঠানের কোনও অনুমোদন ছিল না। কার গাফিলতিতে মৃত্যু ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.