Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Nabadwip

নবদ্বীপে বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে বিজেপি কর্মীকে ‘মারধর’, পরে মৃত্যু, পলাতক দুষ্কৃতীরা

তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে শাসকদল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৪:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫, ১৪:২৪

options
link
নবদ্বীপে বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে বিজেপি কর্মীকে ‘মারধর’, পরে মৃত্যু, পলাতক দুষ্কৃতীরা zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: পুরনো বিবাদ! বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে বিজেপিকর্মীকে বাড়ির থেকে বার করে বেধড়ক মারধর! বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয় যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নবদ্বীপে। পরিবারের অভিযোগ, তাঁরা বিজেপি করায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের ছেলেকে খুন করেছে। থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা। অভিযুক্তরা পলাতক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম সঞ্জয় ভৌমিক। বয়স ৩৫। তিনি নবদ্বীপ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে সঞ্জয় যখন বাড়ি ফিরছিলেন সেই সময় এলাকায় অশান্তি চলছিল। তিনি বাধা দিতে গেলে বচসা হয়। পরে সঞ্জয় বাড়ি চলে যান। অভিযোগ, এরপরই স্থানীয় চারযুবক মদ্যপ অবস্থায় সঞ্জয়ের বাড়িতে হানা দেন। অভিযুক্তরা যুবককে ঘর থেকে বার করে এনে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা সঞ্জয়কে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেয়নি। পরে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যার পরই ওই যুবকের মৃত্যু হয়। মৃত যুবকের দিদি সাথি চক্রবর্তী বলেন, “আমার ভাই একজনের থেকে টাকা পেত। তা চাওয়ায় ঝামেলা। বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে ওরা মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে এসে মা-বাবার সামনে ভাইকে বেধড়ক মারধর করে। বুকে, পেটে লাথি মারে। জয় রায়, তারক, নান্টু ও ঝন্টু বেধড়ক মারধর করে। কয়েকজন বাইরে বসেছিল। আমি সিবিআই তদন্ত চাই।”

Advertisement
থানায় দায়ের অভিযোগ।

স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, “যুবকের পরিবার বিজেপি করে। বিশ্বকর্মা পুজোর রাতে তৃণমূলের কয়েকজন বাড়িতে গিয়ে মারধর করে। বাড়িতেই আহত অবস্থায় পড়েছিল। আমি খবর পেয়ে লোকজন নিয়ে ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তারপর মৃত্যু। আমরা দোষীদের গ্রেপ্তার চাই। কেউ গ্রেপ্তার না হলে আমরা দেহ দাহ্য করব না।” স্থানীয় পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, “তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য বিজেপি এসব বলছে। শাসকদল এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নেই। তবে যে তারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে সেই তারক তো বিজেপি করে। তাহলে এটা তো বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল। যুবককে একদিন পরে হাসপাতালে নিয়ে গেল কেন? যাই হোক এখানে কোনও দলের বিষয় নেই। যেকোনও মৃত্যু বেদনাদায়ক। প্রশাসন তদন্ত করে দেখুক।” পুলিশ জানিয়েছে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.