Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nadia Zilla Parishad

তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ কেল্লাফতে, মাত্র ৬ সদস্য নিয়ে নদিয়া জেলা পরিষদ দখল বিজেপির

এই জয়কে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া অনাস্থা ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রতিফলন বলে দাবি করেছেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৬, ১৬:২১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৬, ১৬:২১

options
link
তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ কেল্লাফতে, মাত্র ৬ সদস্য নিয়ে নদিয়া জেলা পরিষদ দখল বিজেপির zoom
নদিয়া জেলা পরিষদে জয় বিজেপির। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

নদিয়া জেলা পরিষদের (Nadia Zilla Parishad) সভাধিপতি নির্বাচনে তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’র বাজিমাত। বিজেপি প্রার্থী প্রণতি বিশ্বাসের জয় ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য। নতুন সভাধিপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ার বার্তা দিলেন প্রণতি বিশ্বাস। অন্যদিকে, এই জয়কে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া অনাস্থা ও দুর্নীতির অভিযোগের প্রতিফলন বলে দাবি করেছেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। ‘বিবেক ভোট’ হল আইনসভার এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে দলের নির্দেশ বা হুইপ মেনে ভোট দিতে বাধ্য থাকেন না কোনও রাজনৈতিক প্রতিনিধি। তাঁরা দলের নীতির ঊর্ধ্বে গিয়ে নিজস্ব বিবেচনা অনুযায়ী ভোট দিতে পারেন। তৃণমূলের সেই ‘বিবেক ভোটে’ জেলাপরিষদের দখল নিল বিজেপি।

৫২ আসন বিশিষ্ট এই জেলা পরিষদে বিজেপির জয়ী সদস্য সংখ্যা ছিল ৬। বাকি তৃণমূলের। বুধবার বিজেপির ৬ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূলের তরফে ছিলেন ১৫ জন। এই ১৫ জন সদস্যই বিজেপির প্রার্থীকে সমর্থন করেন। তৃণমূলের তরফে সভাধিপতি পদপ্রার্থী হিসেবে কেউ না থাকায় কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেল বিজেপি। সভাধিপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রণতি বিশ্বাস বলেন, “এই জয় আমার একার নয়। সকলের জয়।” জেলা পরিষদের সমস্ত সদস্য এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করার বার্তা দেন তিনি। অতীতে পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদে অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে, তা দূর করে স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রশাসন পরিচালনাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নির্বাচনে একাধিক সদস্যের ‘বিবেক ভোটে’র সমর্থন পাওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে তাঁর কথায়। দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও তদন্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব এবং স্থানীয় বিধায়ক-সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান নবনির্বাচিত সভাধিপতি। নতুন জেলা পরিষদ বোর্ডের সামনে এখন মূল লক্ষ্য নদিয়ার গ্রামীণ এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের মৌলিক চাহিদাপূরণ। প্রশাসনিক কাজ দ্রুত স্বাভাবিক করে জনস্বার্থে বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানান প্রণতি বিশ্বাস।

অন্যদিকে, জেলা পরিষদের এই রাজনৈতিক পালাবদল নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তাঁর দাবি, শাসকদলের দুর্নীতি ও ভুল নীতির কারণে সাধারণ মানুষ এবং জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে। বিজেপি শুরু থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। জগন্নাথ সরকারের বক্তব্য, “রাজনৈতিক রং না দেখে নদিয়ার সার্বিক উন্নয়নই এখন বিজেপির প্রধান লক্ষ্য। শ্রীচৈতন্যদেবের পবিত্র নদিয়ায় হিংসা ও বৈষম্যের কোনও স্থান নেই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস, সবকা প্রয়াস’ মন্ত্রকে সামনে রেখে আগামী দিনে নদিয়াকে হিংসামুক্ত ও উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলবে বলেও জানান তিনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.