Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BJP

শিলিগুড়ির উন্নয়নে বাধার অভিযোগে অনশনে বিজেপির শংকর, বাজার গরমের চেষ্টা বলছে তৃণমূল

শুক্রবার সরস্বতী পুজো থাকায় সকাল ৮ টায় শংকর অনশন তুলে নেবেন বলে জানিয়ছেন।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৭:০৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৭:০৫

options
link
শিলিগুড়ির উন্নয়নে বাধার অভিযোগে অনশনে বিজেপির শংকর, বাজার গরমের চেষ্টা বলছে তৃণমূল zoom
অনশনে বসেছেন বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ। নিজস্ব চিত্র

উন্নয়নের কাজে বাধা দিচ্ছে রাজ্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন! খরচ করতে দেওয়া হচ্ছে না বিধায়ক তহবিলের টাকা। এই অভিযোগ তুলে অনশনে বসলেন বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ। বৃহস্পতিবার আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য অনশনে বসার সিদ্ধান্ত তাঁর। শুক্রবার সরস্বতী পুজো থাকায় সকাল ৮টায় অনশন তুলে নেবেন বলে জানিয়ছেন তিনি। এর পালটা দিয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তাঁর কটাক্ষ ভোটের আগে বাজার গরম করার জন্য এই কাজ করছেন বিজেপির বিধায়ক। তিনি বলেন, “সামনে নির্বাচন তাই এসব বলছে বিধায়ক। নেই কাজ তো খই ভাজ।”

শংকর অভিযোগ তুলেছেন বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে শহরের একাধিক প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ টাকা একাধিক অজুহাতে আটকে রেখেছে জেলা প্রশাসন। বারবার জেলা প্রশাসন, রাজ্য সরকার, শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়রকে জানালেও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। তাঁর আরও অভিযোগ নোংরা ষড়যন্ত্র করছে রাজ্য সরকার ও শাসকদল।

Advertisement
BJP MLA Shankar Ghosh goes on a 24-hour hunger strike
অনশনে শংকর। নিজস্ব চিত্র

শংকর ঘোষ বলেন, “আমার বিধায়কের কার্যকালে পাওয়া দুই জেলাশাসক আমাকে লাগাতার অসহযোগিতা করে গিয়েছেন। বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচ কর‍তে দেওয়া হচ্ছে না। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও নয়টি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দিয়েছিলাম। তারা মাত্র দু’টি প্রকল্পর কাজ করেছে। শিলিগুড়ি পুরনিগমকেও একইভাবে একাধিক কাজের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু কাজ হয়নি। অসহযোগিতা করার জন্য আমি বৃহস্পতিবার থেকে২৩ জানুয়ারি সকাল আটটা পর্যন্ত অনশনে বসেছি।” বড় আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

শংকরের ২৪ ঘণ্টার অনশন নিয়ে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব পালটা বলেন, “এখন সামনে নির্বাচন। তাই এসব বলছে বিধায়ক। নেই কাজ তো খই ভাজ। আমাদের যেসব কাজের জন্য বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে বরাদ্দ করা হয়েছিল সেসবের মধ্যে যে কটা সম্ভব সেগুলো করা হয়েছে। বাকিগুলোর সেরকম কোনও গুরুত্ব ছিল না। এখন ফালতু কথা বলে বাজার গরম করা হচ্ছে। তিনি অনশন করছেন, করতেই পারেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.