অর্ণব দাস, বারাকপুর: পুলিশি তলবে হাজিরা এড়ালেন বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচী। বারাকপুর ওয়ারলেস মোড় সংলগ্ন বেসরকারি নার্সিংহোমে তাণ্ডবের অভিযোগে তাকে নোটিস দিয়ে ডেকে পাঠিয়েছিল পুলিশ। শুক্রবার সকাল ১১টায় মোহনপুর থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল না তাঁর। কিন্তু কাজে ব্যস্ত রয়েছেন জানিয়ে সময় চেয়ে এদিন লিখিতভাবে জানিয়েছেন বিজেপির এই আইনজীবী নেতা।
অন্যদিকে, চিকিৎসক দিবসের রাতে কৌস্তভের আঙুল উঁচিয়ে চিকিৎসকদের হুমকি, শাসানোর অভিযোগের সেই ঘটনা প্রতিবাদে সরব তৃণমূল। শুক্রবার সকালে বারাকপুর পুরসভার ১০নম্বর ওয়ার্ডের ওল্ড ক্যালকাটা রোড সংলগ্ন কৌস্তভের বাড়ির এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি করে শাসক শিবির। উপস্থিত ছিলেন পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস, ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রভাত ঘোষ-সহ একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলর ও দলীয় কর্মীরা। এনিয়ে চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, “আমরা হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারি রোগী মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের কোনো দোষ নেই। অকারণে লোক দেখানোর জন্য এক বিজেপি নেতা চিকিৎসকদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে হেনস্তা করেছে। এনিয়েই এদিন এলাকার মানুষকে জানানো হচ্ছে। বলা হল এমন কোনো সমস্যায় পড়লে আমাদের জানাতে।”
যদিও তৃণমূলের এই প্রতিবাদ তাঁর বাড়ির সামনে করা নিয়ে সরব হয়েছেন কৌস্তভ। তিনি জানিয়েছেন, “আমি বা আমার পরিবার এ নিয়ে বিন্দুমাত্র ভীত সন্ত্রস্ত নই। জানি ওদের কিভাবে জবাব দিতে হয়। তবে বাড়ির সামনে এমটা করা উচিত হয়নি, অবশ্যই এনিয়ে পুলিশে অভিযোগ জানাব।” সঙ্গে তলব এড়ানো নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া, “আদালত ও দলীয় কাজে কদিন খুবই ব্যস্ত আছি। তাই সাত দিন সময় চেয়ে থানায় লিখিত জানিয়েছি।” তবে, তাঁর এই হাজিরা না দেওয়া নিয়ে পুলিশ পরবর্তী আইনানুগ নেমে বলেই খবর। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বেসরকারি হাসপাতালে তাণ্ডবের ঘটনায় কৌস্তভের সঙ্গে আর করা ছিল, তাদের চিহ্নিত করেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যপালের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়ানোর ‘শাস্তি’! ৪ বছর ধরে কুচকাওয়াজে ব্রাত্য মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়া
-
সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে উদ্ধার সোনা, বিপুল সম্পত্তির নথি! আটক অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে নদিয়ায় জোড়া খুন! গুলিতে ঝাঁঝরা কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলে
-
অন্ধপ্রদেশ থেকে ২০০ আইফোন চুরি! বাংলাদেশে পাচারের আগেই ফরাক্কায় ধৃত চার কীর্তিমান
-
‘ডিম থেরাপি’ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল এবিভিপি, উপাসনার উপর হামলা নিয়ে কী বক্তব্য?