Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Khudiram Tudu

বালি, পাথর ও মোরাম ব্যবসাকে ঘিরে সিন্ডিকেট বরদাস্ত নয়, কড়া বার্তা মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর

শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরী বলেন, "পাথর খাদান এলাকায় শ্রমিকদের পর্যন্ত ভয় দেখিয়ে কাজ করানো হত। কার ট্রাক চলবে, কার ব্যবসা হবে, সব ঠিক করত সিন্ডিকেট। এখন আর সেই দিন নেই।"

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৬, ১৭:১৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৬, ১৭:১৮

options
link
বালি, পাথর ও মোরাম ব্যবসাকে ঘিরে সিন্ডিকেট বরদাস্ত নয়, কড়া বার্তা মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর zoom
মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর ফাইল ছবি।

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই তৃণমূল সরকারের আমলের তথাকথিত ‘সিন্ডিকেট রাজ’ নিয়ে বিস্ফোরক সুর শোনা গেল বিজেপি বিধায়কদের মুখে। শনিবার বাঁকুড়া সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বালি, পাথর ও মোরাম ব্যবসাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, দখলদারি ও রাজনৈতিক মদতের অভিযোগ তুলে কার্যত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বার্তা দিলেন শাসকদলের জনপ্রতিনিধিরা।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত। ছিলেন রাণীবাঁধের বিধায়ক তথা মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু (Khudiram Tudu), সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি, শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরী, বড়জোড়ার বিধায়ক বিশ্লেশ্বর সিংহ-সহ জেলার অন্যান্য বিজেপি বিধায়কেরা।

বৈঠকে শালতোড়া বিধানসভা এলাকার পাথর খাদান, দামোদর নদের বালি, বড়জোড়ার বালি ব্যবসা, সোনামুখীর বালি ও মোরাম এবং ওন্দার বালি উত্তোলনকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠে আসে। বিজেপি বিধায়কদের অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে “দলীয় ছত্রচ্ছায়ায় গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট” গোটা ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করত। সাধারণ ব্যবসায়ী থেকে ট্রাক মালিক-সকলকেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ‘অনুমতি’ নিয়ে কাজ করতে হত। বৈঠক শেষে ক্ষুদিরাম টুডু সাংবাদিকদের বলেন, “গত কয়েক বছরে বাঁকুড়ার বহু এলাকায় প্রশাসনের চেয়ে সিন্ডিকেটের দাপট বেশি ছিল। মানুষকে জোর করে টাকা দিতে হত, না হলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হত। এই সরকার সেই দাদাগিরি বরদাস্ত করবে না।”

Advertisement

ক্ষুদিরাম টুডু সাংবাদিকদের বলেন, “গত কয়েক বছরে বাঁকুড়ার বহু এলাকায় প্রশাসনের চেয়ে সিন্ডিকেটের দাপট বেশি ছিল। মানুষকে জোর করে টাকা দিতে হত, না হলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হত। এই সরকার সেই দাদাগিরি বরদাস্ত করবে না।”

সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামিও এ দিন সরব হন। তাঁর অভিযোগ, “সোনামুখীতে বালি ও মোরাম ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে কয়েকজন তৃণমূল ঘনিষ্ঠের হাতে বন্দি রয়েছে।” শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরী বলেন, “পাথর খাদান এলাকায় শ্রমিকদের পর্যন্ত ভয় দেখিয়ে কাজ করানো হত। কার ট্রাক চলবে, কার ব্যবসা হবে, সব ঠিক করত সিন্ডিকেট। এখন আর সেই দিন নেই।” বড়জোড়ার বিধায়ক বিশ্লেশ্বর সিংহের কথায়, “নতুন সরকার প্রতিটি ফাইল খতিয়ে দেখবে। যেখানে দুর্নীতি মিলবে, সেখানে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে বেআইনি উত্তোলন, রাজস্ব ফাঁকি এবং বিধায়ক তহবিলের অর্থ খরচের ক্ষেত্রেও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.