Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Independance Day

‘বিকশিত ভারত’ নিয়ে প্রবন্ধ লিখে ১৫ আগস্ট লালকেল্লায় আমন্ত্রিত বাসন্তীর সেলিমা, স্বপ্নপূরণে বাধা অর্থ

সেলিমা মোল্লা। ফুলমালঞ্চ ঋতু ভকত উচ্চমাধ্যমিক হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। বাবা সেলিম মোল্লা দিন মজুর। মা রেহেনা মোল্লা গৃহবধু। তাঁরা দুই বোন-দুই ভাই। সেলিমা বড়।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৭:০৯

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৭:০৯

options
link
‘বিকশিত ভারত’ নিয়ে প্রবন্ধ লিখে ১৫ আগস্ট লালকেল্লায় আমন্ত্রিত বাসন্তীর সেলিমা, স্বপ্নপূরণে বাধা অর্থ zoom
নবম শ্রেণির ছাত্রী সেলিমা মোল্লা।
Advertisement

সুন্দরবনের দরিদ্র পরিবার। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা। যেখানে পেট চালাতে প্রতিদিনের লড়াই চলে, সেখানে পড়াশোনা বিলাসিতা। তবে মেয়ের পড়াশোনায় কোনও খামতি রাখেননি বাবা। এবার পরিবার স্কুল-সহ গোটা গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করল নবম শ্রেণির ছাত্রী। ‘বিকশিত ভারত’ নিয়ে প্রবন্ধ লিখে স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় ডাক পেল কিশোরী। তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ। সরকারি সাহায্য না মিললে রাজধানী যাওয়া সম্ভব নয়। সরকারি সাহায্যের আর্জি জানিয়েছে পরিবার।

সেলিমা মোল্লা। ফুলমালঞ্চ ঋতু ভকত উচ্চমাধ্যমিক হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। বাবা সেলিম মোল্লা দিনমজুর। মা রেহেনা মোল্লা গৃহবধু। তাঁরা দুই বোন, দুই ভাই। বড় সেলিমা। দরিদ্র পরিবারের বেড়ে ওঠা। বাড়ি থেকে ৩০ মিনিট সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাতায়াত। পড়াশোনায় বরাবরই মেধাবী সেলিমার প্রিয় বিষয় ইংরাজি। সম্প্রতি ‘বিকশিত ভারত’ প্রসঙ্গে ভারত সরকার এক প্রবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ইংরাজিতে ৫০০ শব্দের একটি প্রবন্ধ লিখে স্কুল শিক্ষকের কাছে জমা দিয়েছিল সেলিমা। পরবর্তীতে সেই লেখা দিল্লিতে পাঠানো হয়।

Advertisement

এই প্রতিযোগিতায় দেশজুড়ে লাখ লাখ পড়ুয়া অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২০০ জনকে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে সেলিমার। সঙ্গে ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লায় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আনন্দের বন্যা বাসন্তী ব্লকজুড়ে। ফুলমালঞ্চ ঋতু ভকত উচ্চমাধ্যমিক হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অম্বরীশকুমার দত্ত জানিয়েছেন, “বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রছাত্রী তথা সমগ্র দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অসংখ্য পড়ুয়া এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। সেলিমা অনন্য নজির স্থাপন করল। ও জীবনে অনেক বড় হোক। অনেক সাফল্য ওর ঝুলিতে আসবেই সেই বিশ্বাস রয়েছে।”

এ দিকে মেয়ের এই সাফল্যে চোখে জল বাবা-মার। সবাইকে বুক চাপড়ে বাবা বলছেন আমার মেয়ে দিল্লি থেকে ডাক পেয়েছে। কিন্তু লালকেল্লা যাওয়ার খরচের সংস্থান হবে তা নিয়ে চিন্তায় পরিবার। দিল্লি যাওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেলিমা জানিয়েছে, “যদি সরকারিভাবে খরচ দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লায় উপস্থিত হওয়া সম্ভব। না হলে এই খরচ আমার পরিবার বহন করতে পারবে না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.