Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Baruipur

বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থীকে মারধর! সাসপেন্ড থানার আইসি এবং সাব ইনস্পেক্টর

বিশ্বজিৎ পাল অভিযোগে জানান, ঘটনার দিন পুলিশ রাস্তায় তাঁকে দেখতে পেয়েই মারধর শুরু করে। বিনা প্ররোচনায় মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, মিথ্যা মামলাও দেওয়া হয় বলে দাবি বিজেপি নেতার।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৫:৫১

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৫:৫১

options
link
বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থীকে মারধর! সাসপেন্ড থানার আইসি এবং সাব ইনস্পেক্টর zoom
সাসপেন্ড দুই পুলিশ কর্তা।

বিজেপি প্রার্থীকে মারধরের ঘটনায় সাসপেন্ড বারুইপুর (Baruipur ) থানার আইসি। সাসপেন্ড করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট থানার সাব ইনস্পেক্টরকে। বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পালকে মারধরের অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে। এরপরেই সাসপেন্ড করা হল বারুইপুর থানার আইসি সমর দে এবং সাব ইনস্পেকটর সুকুমার রুইদাসকে। এই মর্মে রাজ্য পুলিশের তরফে নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। যেখানে বারুইপুর থানার আইসি সমর দে’র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ, ফলপ্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ গত ৫ মে বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পালকে মারধর করা হয়। খোদ পুলিশের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে। নাম জড়ায় বারুইপুর থানার আইসি সমর দে এবং সাব ইনস্পেকটর সুকুমার রুইদাসের। ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থীকে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী মারধর করে গাড়িতে তুলছেন। এমনকী ঘটনাস্থলেই ছিলেন বারুইপুর থানার আইসি সমর দে। যদিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ভিডিও’র সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

Advertisement

অভিযোগ, ফলপ্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ গত ৫ মে বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পালকে মারধর করা হয়। খোদ পুলিশের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে। নাম জড়ায় বারুইপুর থানার আইসি সমর দে এবং সাব ইনস্পেকটর সুকুমার রুইদাসের। ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ফলাফল প্রকাশের পরের দিনই এই ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন এলাকায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ জানায় তৃণমূল। এহেন অভিযোগের পরেই বারুইপুর থানার আইসি এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। এরপরেই এই ঘটনা বলে দাবি। বিশ্বজিৎ পাল অভিযোগে জানান, ঘটনার দিন পুলিশ রাস্তায় তাঁকে দেখতে পেয়েই মারধর শুরু করে। বিনা প্ররোচনায় মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, মিথ্যা মামলাও দেওয়া হয় বলে দাবি বিজেপি নেতার। এরপরেই পুলিশের বিরুদ্ধেই লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের মধ্যেই বারুইপুর থানার আইসি এবং সাব ইনস্পেক্টরকে সাসপেন্ড করা হল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.