Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Indrajit Mandal

‘খাবার-টাকা পেয়েছি, ছেলে আর ফিরবে না’, শুভেন্দু সাক্ষাতে কেঁদে আকুল ইন্দ্রজিতের বাবা

নিহতের বাবা-মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বজনহারা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন। সরকারের তরফে নিহতের বাবা এবং মায়ের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। নিহতের দাদা বাপি মণ্ডলকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হয়েছে।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৫:৪৪

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৫:৪৪

options
link
‘খাবার-টাকা পেয়েছি, ছেলে আর ফিরবে না’, শুভেন্দু সাক্ষাতে কেঁদে আকুল ইন্দ্রজিতের বাবা zoom
শুভেন্দু সাক্ষাতে কেঁদে আকুল ইন্দ্রজিতের বাবা
Advertisement

ছেলেকে হারিয়েছেন সবেমাত্র ৬ দিন। এখনও দগদগে ক্ষত। চোখের জল শুকোচ্ছে না বাবা-মায়ের। অঝোরে কেঁদেই চলেছেন তাঁরা। শনিবার বারুইপুরের নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সন্তানহারা অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

সরকারের তরফে নিহতের বাবা এবং মায়ের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। নিহতের দাদা বাপি মণ্ডলকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হয়েছে। সূর্যপুর পুলিশ ফাঁড়িতে পোস্টিং হবে তাঁর। দাঙ্গাকারীদের ভাঙচুরে ইন্দ্রজিতের বাড়ির ক্ষতি হয়। ওই বাড়ি সংস্কারের কাজ করে দেওয়া হয়েছে। বাবার বার্ধক্যভাতা এবং মায়ের অন্নপূর্ণা যোজনার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর ইন্দ্রজিতের বাবা জানান, “রাজ্য সরকারের তরফে খাবারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। টাকাও দিয়ে গিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, এই টাকা গুছিয়ে রাখতে। আমার বড় ছেলেকে চাকরি দিয়েছেন। বার্ধক্যভাতা এবং অন্নপূর্ণা যোজনার ব্য়বস্থাও করে দিয়েছে। কিন্তু ছেলেকে তো আর পাব না।” জলে ভেজা চোখে তিনি আরও বলেন, “আমি বারবার বারণ করলাম, তাও ওরা কোনও কথা শুনল না। জোর করে টেনে নিয়ে গেল। কিছু বলার সুযোগ দিল না।” ছেলে নেই, তা যেন এখনও মানতে পারছেন না নিহতের বাবা-মা।

Advertisement

নিহতের বাবা-মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বজনহারা পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন। সরকারের তরফে নিহতের বাবা এবং মায়ের হাতে ২৫ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। নিহতের দাদা বাপি মণ্ডলকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হয়েছে। সূর্যপুর পুলিশ ফাঁড়িতে পোস্টিং হবে তাঁর। দাঙ্গাকারীদের ভাঙচুরে ইন্দ্রজিতের বাড়ির ক্ষতি হয়। ওই বাড়ি সংস্কারের কাজ করে দেওয়া হয়েছে। বাবার বার্ধক্যভাতা এবং মায়ের অন্নপূর্ণা যোজনার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, “ইন্দ্রজিৎকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবে খুনিদের চরম শাস্তি হবে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.