Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Barasat

চোরের কবলে মেয়ের বিয়ের টাকা! দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মায়ের পাশে দাঁড়াতে কী করল বারাসত পুলিশ?

১৪ লক্ষ টাকা চুরি হয়ে গিয়েছিল বারাসতের সুলতা চক্রবর্তীর বাড়ি থেকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৫, ২০:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৫, ২০:০৪

options
link
চোরের কবলে মেয়ের বিয়ের টাকা! দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মায়ের পাশে দাঁড়াতে কী করল বারাসত পুলিশ? zoom
Advertisement

অর্ণব দাস, বারাসত: মেয়ের বিয়ের খরচ জোগাতে বিক্রি করেছিলেন জমি। হাতে এসেছিল ২১ লক্ষ টাকা নগদ। তার মধ্যে ১৪ লক্ষ টাকা রাখা ছিল বাড়িতে। বারাসতের চৌধুরী পাড়ার চক্রবর্তী বাড়ি থেকে সেই টাকা চুরি হয়। ফলে মেয়ের বিয়ে নিয়ে আতান্তরে পড়ে যান মা সুলতা চক্রবর্তী। বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের করে তিনি কার্যত পুলিশকে অনুরোধ করেন, ওই টাকা যেভাবে হোক, উদ্ধার করে দিতে হবে। পুলিশও বেশ তৎপর হয়ে তদন্ত শুরু করে। গ্রেপ্তার করা হয় দুই ‘চোর’কে। তাদের কাছ থেকে অর্থের অধিকাংশই উদ্ধার হয়েছে। আর তাতে যেমন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন মা তেমনই পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার এই চুরি এবং উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বারাসত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জোনাল) স্পর্শ নীলাঙ্গি। তাঁর কথায়, “অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নেমে ঘটনাস্থল সংলগ্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে দু’জনকে চিহ্নিত করা হয়। তাদের মধ্যে প্রথমে করিমকে ভাঙড় থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর ট্যাংরা থেকে গ্রেপ্তার হয় আসিফ। দু’জনের থেকে মোট ১১ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। পরিবারকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement
বারাসতের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্পর্শ নীলাঙ্গির সাংবাদিক বৈঠক।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ২২ ফেব্রুয়ারি চক্রবর্তী পরিবারের কুম্ভে যাওয়ার কথা ছিল। তাই জমির বিক্রির অগ্রিম টাকার মধ্যে বেশ কিছু টাকা ২১ তারিখ ব্যাঙ্কে জমা করে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন সুলতাদেবী। তিনি বলেন, “মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির অগ্রিম হিসাবে ২১ লক্ষ টাকা গত ২০ তারিখ রাতে পেয়েছিলাম। ২২ তারিখ আমাদের কুম্ভে যাওয়ার কথা ছিল। তাই টাকা পাওয়ার পরেরদিন, ২১ তারিখ সকালে ৬ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্কে জমা করে বাকি টাকা নিয়ে কেনাকাটা করতে বেরিয়েছিলাম। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে দেখি, পিছনের দরজার তালা ভাঙা, আলমারি খোলা। সেখানে রাখা নগদ ১৪ লক্ষ টাকা ছিল, তা চুরি হয়ে গিয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় শেষে টাকা উদ্ধার হয়েছে। মেয়ের বিয়ে নিয়ে আপাতত স্বস্তিতে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.