Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bankura

বাইরে ঘুমিয়ে বাবা, রাতের অন্ধকারে ঘর থেকে উধাও দেড়বছরের শিশুকন্যা! ঘনীভূত রহস্য

কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৫, ১৩:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৫, ১৩:০৩

options
link
বাইরে ঘুমিয়ে বাবা, রাতের অন্ধকারে ঘর থেকে উধাও দেড়বছরের শিশুকন্যা! ঘনীভূত রহস্য zoom

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: বাইরে ঘুমিয়েছিলেন বাবা। রাতের অন্ধকারে ঘর থেকে উধাও দেড়বছরের শিশুকন্যা! ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্য়াপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাঁকুড়ার ভূতশহর বগায়। ইতিমধ্য়েই খুদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার।

বাঁকুড়ার ভূতশহরের বগার বাসিন্দা প্রশান্ত বাউড়ি। দুই কন্যা সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে অভাবের সংসার। তবে সুখের ঘাটতি ছিল না। বুধবার রাতে গরমের জন্য বাইরে ঘুমোতে যান যুবক। সকালে ঘরে ঢুকতেই অবাক হয়ে যান। দেখেন দেড়বছরের কন্যাসন্তান ঘরে নেই। যুবকের কথায়, “ভোর চারটেয় ঘরে ঢুকি। দেখি ছোট মেয়েটা বিছানায় নেই। প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো মায়ের কোলে আছে। কিন্তু খুঁজে দেখেই বুঝলাম মেয়ে উধাও।” খুদের মায়ের কথায়, “আমার মেয়েটা কে নিয়ে গেল? আমরা তো কারও সঙ্গে শত্রুতা করিনি।”

Advertisement

ঘটনার খবর পেয়ে ভোররাতেই গ্রামে পৌঁছন বাঁকুড়া সদর থানার আইসি সুজয় তুঙ। তিনি বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমেই এলাকা ঘিরে দিই। চারপাশের বাড়িঘর খুঁজে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।” অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিদ্ধার্থ দর্জিও ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানান, “এটি অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা। রাতের অন্ধকারে একটি শিশু কীভাবে নিখোঁজ হয়ে গেল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে ডগ স্কোয়াড নামিয়ে অনুসন্ধান চালানো হবে।” পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শিশুটিকে অপহরণ করা হতে পারে। তবে কোনও ক্লু মেলেনি বলেই খবর। এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে-একটি নিরীহ শিশু রাতের অন্ধকারে কোথায় হারিয়ে গেল? এখন তার খোঁজে চলছে মরিয়া তল্লাশি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.