বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন সহকর্মীকে সহবাসের অভিযোগ উঠল এক চিকিৎসক তথা বিএমওএইচের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই চিকিৎসক তালডাংরা গ্রামীণ হাসপাতালে কর্মরত। স্বভাবতই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে। স্বাস্থ্য দফতরের অন্দরেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সরেন। শুধু তাই নয়, ঘটনার পরেই স্থানীয় তালডাংরা পুলিশে অভিযোগও জানিয়েছেন ওই নির্যাতিতা। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত।
নির্যাতিতা ওই হাসপাতালেরই ফিজিওথেরাপিস্ট হিসাবে কর্মরত। ফলত দীর্ঘদিন ধরে এক জায়গায় কাজের সুবাদে অভিযুক্ত ওই বিএমওএইচ সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে নির্যাতিতার। এরপর দিনের পর দিন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে অভিযুক্ত জড়ান বলেও অভিযোগ। কিন্তু এই বিষয়ে চাপ দিতেই বিয়ে করতে অভিযুক্ত অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ঘটনায় তালডাংরা পুলিশে লিখিত অভিযোগ জানান নির্যাতিতা। যদিও অভিযুক্ত চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, ”সম্পর্ক ছিল পারস্পরিক সম্মতিতেই। বিষয়টি এখন ব্যক্তিগত পরিসর ছাড়িয়ে প্রশাসনিক রূপ পাচ্ছে।”
আরও পড়ুন:
এই প্রসঙ্গে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সরেন বলেন, ”আমার কাছে সরাসরি কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। তবে সংশ্লিষ্ট বিইএমওএইচ আমার কাছে কিছু অভিযোগ জানিয়েছেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তদন্ত কমিটির রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মুখ খুলতে নারাজ জেলা স্বাস্থ্য দফতরের অন্য আধিকারিকরা। তবে প্রশাসনস্তরের একাংশের মত, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা শুধু ব্যক্তিগত নৈতিকতার প্রশ্ন নয়, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার বিষয়ও বটে। এখন নজর তদন্তের অগ্রগতির দিকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে তালডাংরা গ্রামীণ হাসপাতালে।
সর্বশেষ খবর
-
উদয়ন গুহ থানা থেকে বেরতেই ‘ডিম-বৃষ্টি’, প্রাক্তন মন্ত্রীকে বাঁচাতে পুলিশের ভরসা হেলমেট
-
‘ডার্বিতে গোল করতে চাই’, মোহনবাগানে সই করে লক্ষ্যের কথা জানালেন রাহুল ভেকে
-
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে মমতাপন্থী ৫ বিধায়ক, কী কথা হল?
-
প্রথম দফায় সওয়া ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর ‘মুক্তি’ অরূপের, এবার গন্তব্য কোথায়?
-
ধর্মের নামে মনুষ্যতের খুন! দেশভাগের ‘রক্তাক্ত’ যন্ত্রণা উসকাল আমির-সানির ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’-এর ঝলক