Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Balurghat

মন্ত্রী বিপ্লবকে হারানোই লক্ষ্য! তৃণমূল থেকে তিনবার বহিষ্কৃত নেতাকে ঘরে ফেরাল কংগ্রেস

পাত্তা দিতে নারাজ তৃণমূল। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৮:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৮:৪২

options
link
মন্ত্রী বিপ্লবকে হারানোই লক্ষ্য! তৃণমূল থেকে তিনবার বহিষ্কৃত নেতাকে ঘরে ফেরাল কংগ্রেস zoom
নিজস্ব ছবি

রাজা দাস, বালুরঘাট: তিন বার বহিষ্কার তৃণমূল থেকে একবার দল থেকে তাড়িয়েছে কংগ্রেস। এবার ফের নিজের পুরনো দল কংগ্রেসে ঘরওয়াপসি হরিরামপুরের নেতা শুভাশিষ পালের। এই দলবদল রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুরে। তবে শারিরীক অসুস্থার কারণে বেশ কয়েক বছর রাজনীতির বাইরে থাকায় স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব প্রশ্নের মুখে বলে জানা গিয়েছে। পাত্তা দিতে নারাজ তৃণমূল। 

শুক্রবার প্রায় দেড়শ লোক নিয়ে তিনি হরিরামপুর থেকে বালুরঘাট আসেন বলে দাবি করা হয়েছে। বালুরঘাটে জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন। সঙ্গে ছিলেন অনান্য প্রদেশ ও জেলা নেতৃত্ব। এর পড়েই বালুরঘাট শহরে কংগ্রেসের মিছিলে যোগ দেন শুভাশিষ-সহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। বিজেপিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করলেও, শুভাশিসের দাবি হরিরামপুরের তৃণমূল বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রকে হারানোই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।

Advertisement

শুভাশিষ পাল বলেন, “আমার জন্যই বিপ্লব মিত্র ২০১১ সালে হরিরামপুর বিধানসভায় নির্বাচিত হন। কিন্ত পরবর্তীতে বিপ্লব মিত্র আমাকে প্রতিদন্ধী মনে করতে থাকেন। তাঁর ভয় আমি ওই কেন্দ্রে তৃণমূলে প্রার্থী হওয়ার দাবিদার।” তাঁর দাবি, “সেই জন্যই বারবার বিপ্লব মিত্রর প্রতিহিংসায় আমাকে তৃণমূল থেকে বহিস্কার হতে হয়েছে। আমাগী বিধানসভায় কংগ্রেস আমাকে প্রার্থী করুক বা না করুক, বিপ্লব মিত্র হরিরামপুর থেকে পরাজিত হবে এটা নিশ্চিত।”

হরিরামপুরের বিধায়ক, তথা রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, “তাঁকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করিনা। গত পঞ্চায়েত, বিধানসভা ও লোকসভাতে অনেক চেষ্টা করেছিলেন এলাকায় তৃণমূলের ভোট কাটার। কিন্ত হাজার চেষ্টা করেও পারেননি। গুরুত্বপূর্ণ হলে এতদিন অনেক কিছুই করতে পারতেন। নিজের এলাকায় তাঁর প্রভাব নেই। ভোটের আগে কেন এসব করছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।”

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে শুভাশিষ পালকে বহিষ্কার করে কংগ্রেস। এরপর তৃণমূলের যোগ দেন তিনি। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হন তিনি। ২০১৪ সালে দলবিরোধী কাজের দায়ে তৃণমূল থেকে বহিস্কার করা হয় তাঁকে। ২০১৬ তে ফের তৃণমূলে ফিরে জেলা তৃণমুলের কার্যকরী সভাপতি হন। ২০১৮ ফের তাকে বহিস্কার করে তৃণমূল। ২০১৯ সালে ফের দলে ফিরে জেলা পরিষদে মেন্টর পদে বসেন তিনি। ২০২০ সালে আবার দল তাঁকে বহিস্কার করে। এরপর রাজনীতি থেকে দূরেই ছিলেন শুভাশিষ। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর ফের রাজনীতিতে পা দিলেন নিজের পুরনো দল কংগ্রেসের হাত ধরে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.