Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
trinamool congress

পালাবদলে সুর বদল! এবার দল ছাড়লেন তোলাবাজিতে অভিযুক্ত রুনা খাতুন

দল ছাড়ার পরেই রুনা জানান, মানুষের রায়কে মানতে হবে। সরকারের পরিবর্তন হয়েছে। তাদের কাজের জন্য পরিসর দেওয়া উচিত। উন্নয়ন হোক।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ২১:৪৪

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ২১:৪৪

options
link
পালাবদলে সুর বদল! এবার দল ছাড়লেন তোলাবাজিতে অভিযুক্ত রুনা খাতুন zoom
রুনা খাতুনের ফাইল ছবি।

বঙ্গ নির্বাচনে পরাজয়ের পরেই তৃণমূলে শুরু হয়েছে ‘গৃহদাহ’। দু’ভাগে বিভক্ত পরিষদীয় দল। এমনকী একাধিক সাংসদও তৃণমূল ছাড়তে পারে বলে গুঞ্জন। একেবারে শিয়রে সঙ্কট! এদিকে রাজ্যে পালাবদল ঘটতেই সুর বদল করে দল ছাড়লেন বলাগড়ের যুব নেত্রী তথা হুগলি জেলা পরিষদের সদস্য রুনা খাতুন। বলাগড়ের প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ এনেছিলেন প্রাক্তন এই বিধায়ক। রুনার দাপটে একেবারে অতিষ্ট ছিলেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু দলের বিপর্যয় ঘটতেই তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা রুনা খাতুনের। তাঁর কথায়, তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলাম। তবে এখনই আগামিদিন নিয়ে কিছু ভাবিনি। পথই পথ দেখাবে। তবে রুনা খাতুনের স্বামী অরিজিৎ দাস এখনও বলাগড়ের সিজা কামালপুর পঞ্চায়েতের তৃনমূলের উপ প্রধান হিসাবেই কাজ করছেন।

দলের আরও অস্বস্তি বাড়িয়ে এবার তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা বলাগড়ের যুব নেত্রী তথা হুগলি জেলা পরিষদের সদস্য রুনা খাতুনের। বলাগড়ের প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন তিনি।

তিনবারের হুগলি জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন রুনা। ভালো বক্তা হিসাবে শীর্ষ নেতৃত্বের নজরেও ছিলেন। গুঞ্জন ছিল এবার বিধানসভা নির্বাচনে রুনা খাতুনকে প্রার্থী করা হতে পারে। তবে তা হয়নি। জেলা রাজনীতিতে কান পাতলেই শোনা যেত, ফিরহাদ হাকিমের যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ ছিলেন তৃণমূলের এই নেত্রী। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হুগলি জেলাজুড়ে বাড়তে থাকে তাঁর দাপট। তাৎপর্যপূর্ণ ভোটের কয়েকমাস আগে বলাগড়ের প্রাক্তন বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন রুনা খাতুন। তোলাবাজি ছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি তোলেন মনোরঞ্জন। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামতে হয় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে।

Advertisement

দল ছাড়ার পরেই রুনা জানান, মানুষের রায়কে মানতে হবে। সরকারের পরিবর্তন হয়েছে। তাদের কাজের জন্য পরিসর দেওয়া উচিত। উন্নয়ন হোক। আগামিদিনে তাঁকে অন্য দলে দেখা যাবে? সেই প্রসঙ্গে প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী বলেন, ”মানুষের কাজ করতে গেলে রাজনীতি করতেই হবে তার মানে নেই। হয়ত রাজনীতি একটা প্লাটফর্ম অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর। তবে সেটাই একমাত্র নয়।” তবে সূত্রের খবর, ঘনিষ্ঠমহলে দলের এহেন বিপর্যয়ে শীর্ষ নেতৃত্বকেই একহাত নিয়েছেন রুনা। দল যে তাঁকে যোগ্য সম্মান দেয়নি তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাননি রুনা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.