রাজ্যে পালাবদলের পরেই অ্যাকশন মুডে পুলিশ-প্রশাসন। কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা গ্রেপ্তার হচ্ছেন। এবার সন্দেশখালিতে বড় অভিযান চালাল পুলিশ। রেশন দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) আক্রান্ত হয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। সেই ঘটনায় প্রায় সাড়ে তিন বছর পর গ্রেপ্তার হলেন শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ দুই তৃণমূল নেত্রী। বসিরহাট তৃণমূল সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী তথা সন্দেশখালি ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী পদে রয়েছেন সবিতা রায়। সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভানেত্রী তথা সন্দেশখালি এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মিঠু সর্দার। তাঁরা দু’জনেই ওই ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন বলে খবর।
এই বিষয়ে আরও খবর
ন্যাজাট থানার পুলিশ দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের খুঁজছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর এলাকায় পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালায়। তাঁদের দু’জনকেই সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতেই তাঁদের সন্দেশখালি নিয়ে যাওয়া হয়। আজ, বুধবার ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সেই বার্তা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। কেবল ইডি-র উপর হামলাই নয়, ভোট পরবর্তী হিংসা-সহ একাধিক অভি্যোগ তাঁদের বিরুদ্ধে রয়েছে বলে তদন্তকারীদের তরফে জানানো হয়েছে।
ন্যাজাট থানার পুলিশ দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের খুঁজছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর এলাকায় পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালায়। তাঁদের দু’জনকেই সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতেই তাঁদের সন্দেশখালি নিয়ে যাওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই দুই তৃণমূল নেত্রী। সেই সূত্রে দু’জনের দাপটও ছিল এলাকায়। বিরোধীদের উপর ‘অত্যাচার’, ভোটের সময় হিংসায় নেতৃত্ব দেওয়া, একাধিক অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে রয়েছে। ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকরা গিয়েছিলেন। সেসময় তৃণমূলের তরফে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল! তাঁদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছিল। আধিকারিকরা রক্তাক্ত হয়েছিলেন। সেই ঘটনা তীব্র আলোড়ন ফেলে দেয়।
পরে গ্রেপ্তার হন শেখ শাহজাহান। এই দুই তৃণমূল নেত্রী ইডি হামলায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। শুধু তাই নয়, মিঠু সর্দারের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসায় একাধিক অভিযোগও ওঠে। সেইসময় ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর বিরোধীদের বাড়িঘর ভাঙচুর, মারধরের অভিযোগও উঠেছিল। এবার নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই তাঁরা পলাতক ছিলেন। বিজেপি সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। তারপরই পুলিশ তাঁদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছিল। অবশেষে দুই তৃণমূল নেত্রীকে গ্রেপ্তার করা হল।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘স্বাধীনতা সংগ্রামে তিতুমীরের চেয়ে শ্যামাপ্রসাদের অবদান বেশি’, বারাসতে বদলে গেল ভবনের নাম
-
শাসকের ইচ্ছাই শেষ কথা ছিল গত তিন দশকে! ১৯৯১-এর পর বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, চলছে ভোট
-
ধর্ষণ করে নলি কেটে খুন! বিহারে চরম পরিণতি বাংলার মহিলার, আক্রান্ত আরও ১
-
অনলাইনে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে আরশোলা! কড়া পদক্ষেপ ‘অগ্নিশর্মা’ শ্বেতা তিওয়ারির
-
হাই কোর্টে ধাক্কা টুলুর! খারিজ রক্ষাকবচের আর্জি, ‘মেঘের আড়ালে সব দেখছেন’, বললেন বিচারপতি



