Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬
Asansol Municipal Corporation

আসানসোল পুরবোর্ড ভেঙে দিল রাজ্য, প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে প্রাক্তন পুর কমিশনার অদিতি চৌধুরী

আসানসোল পুরনিগমে পুর পরিষেবা কার্যত শিকেয় উঠেছে, চরম অচলাবস্থার অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৫:০৪

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৫:০৪

options
link
আসানসোল পুরবোর্ড ভেঙে দিল রাজ্য, প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে প্রাক্তন পুর কমিশনার অদিতি চৌধুরী zoom
ফাইল ছবি।

ভাঙল রাজ্যের আরও একটি পুরবোর্ড। এবার আসানসোলের পুরবোর্ড (Asansol Municipal Corporation) ভেঙে দিল রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয় দপ্তর। নির্দেশিকা জারি করে এই পুরনিগমে প্রশাসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পৌর কর্পোরেশন আইন, ২০০৬-এর ৬০(১) ধারার অধীনে অবিলম্বে এই পুরবোর্ড বাতিল করা হয়েছে। প্রশাসক পদে বসানো হয়েছে আসানসোল দুর্গাপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সিইও তথা আসানসোলের প্রাক্তন পুর কমিশনার আইপিএস অদিতি চৌধুরিকে। আগামী সর্বোচ্চ ছয় মাস অথবা নতুন বোর্ড গঠন না হওয়া পর্যন্ত তিনিই পুরনিগমের সমস্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা সামলাবেন।

আসানসোল পুরনিগমে পুর পরিষেবা কার্যত শিকেয় উঠেছে, চরম অচলাবস্থার অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে বোর্ড মিটিং না হওয়া, সম্পত্তি কর মকুব-সহ একাধিক বিষয়ে একগুচ্ছ অনিয়মের অভিযোগে আসানসোল পুরনিগমকে শোকজ করে পুর দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। সেই শোকজের জবাবও দেন তৎকালীন মেয়র বিধান উপাধ্যায়। মেয়র ৬ পাতার চিঠিতে সরকারের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে উলটে পুর কমিশনারের অসহযোগিতাকেই দায়ী করেন তিনি। কিন্তু সেই জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি পুর দপ্তর। সেই কারণে এদিন আসানসোল পুরবোর্ড ভেঙে দল পুর ও নগরোন্নয় দপ্তর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রশাসকের সঙ্গে সহযোগিতার বার্তা দিয়ে সদ্য প্রাক্তন মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, “বোর্ড ভাঙার বিষয়ে আমি নিজেই জানতাম না। কোনও চিঠি আসেনি। আরও ভালো পরিষেবা দেওয়ার জন্য বোর্ড ভাঙা হয়েছে। আগাম শুভেচ্ছা রইল। মানুষের পরিষেবা দেওয়ার কাজে যদি আমাকে বা কোনও কাউন্সিলরকে প্রয়োজন পড়ে তাহলে আমরা পাশে থাকব।”

এবিষয়ে আসানসোল উত্তর বিধানসভার বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, “বোর্ডটা ভাঙারই ছিল। কোনও কাজই করতে পারছিল না। এলাকায় কোনও কাউন্সিলর নেই, ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছে, বাড়ি থেকে বেরচ্ছে না। এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগাযোগ নেই। বোর্ড ভাঙার দরকার ছিল, ভেঙেছে ভালো হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.