কল্যাণ চন্দ্র ও অতুলচন্দ্র নাগ: ফের বড়সড় আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের চক্রান্ত ব্যর্থ করল পুলিশ। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার হল। গ্রেপ্তার হয়েছেন একাধিক। এইসব অস্ত্রও কি মুঙ্গের থেকে নিয়ে আসা হয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। ডোমকল ও বহরমপুরে এই অস্ত্র উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার রাতে মুর্শিদাবাদ পুলিশের স্পেশাল অরগানাইজেশান গ্রুপ ও সাগরপাড়া পুলিশের যৌথ উদ্যোগে অভিযান চালানো হয়। চারা বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজন আগ্নেয়াস্ত্র পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রবিবার সাগরপাড়া থানায় সাংবাদিক সম্মেলন করে এই কথা জানান ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ।
পুলিশ জানায়, ধৃতদের নাম গিয়াসউদ্দিন শেখ, বাড়ি খায়েরতলায়, মিনারুল শেখ, বাড়ি চরকাকমারী, মুকলেসুর মণ্ডল, বাড়ি ঘোষপাড়ায় ও রানিনগর থানার কাতলামারি ডিহিরমাঠের বাসিন্দা মারুফ শেখ। ধৃতদের থেকে ৩টি অত্যাধুনিক ৭.৬২ এমএম পিস্তল, ১টি পাইপ গান, ৬টি ম্যাগাজিন, ১৫টি তাজা ৭.৬২ এমএম কার্তুজ ও ৫টি তাজা থ্রিনটথ্রি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। আটক করা হয়েছে দুটি বাইকও। গতকাল রাতে পুলিশ এই অভিযান চালায়। পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। ওই অস্ত্র কোথা থেকে আনা হচ্ছিল, সেই কথা জানার চেষ্টা চলছে। ধৃতদের রবিবার বহরমপুর সিজেএম আদালতে তোলা হয়। ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, গতকাল রাতে ৫টি সেভেন এমএম পিস্তল, ১০টি ম্যাগাজিন এবং ২৫ রাউন্ড কার্তুজ-সহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করল বহরমপুর থানার পুলিশ। আবু হেনা নামে এক অভিযুক্তের বাড়ি মালদহ জেলার বৈষ্ণবনগরে। শেখ শারিফুল নামে অন্য অভিযুক্তের বাড়ি মুর্শিদাবাদের রানিনগরে। ওই দুই যুবক অস্ত্র, কার্তুজ নিয়ে বহরমপুরের ফরাসডাঙা এলাকা দিয়ে রানিনগর যাচ্ছিল। সেসময় পুলিশ তাদের আটক করে তল্লাশি চালায়। তখনই ওই অস্ত্র উদ্ধার হয়। এদিন ধৃতদের বহরমপুর আদালতে তোলা হয়।
সর্বশেষ খবর
-
ঘুপচি ঘর, সংকীর্ণ পথ, নেই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও! নিউ মার্কেট অগ্নিকাণ্ডে ৯ মৃত্যুতে সামনে ছত্রে ছত্রে অব্যবস্থা
-
‘দাউদাউ আগুন সিঁড়িতে, মরেই যেতাম’, বিভীষিকাময় মুহূর্ত ভুলতে পারছেন না আবাসিকরা
-
মাকে হারানোর যন্ত্রণা নিয়েও মাঠে, হাফসেঞ্চুরি করে অঝোরে কান্না প্রাক্তন নাইট নীতীশ রানার
-
হরমুজ ফসকেছে ইরানের মুঠি থেকে! মার্কিন চালে অস্বস্তিতে তেহরান
-
চা বাগানের জমি বিক্রির টাকা তৃণমূল ফান্ডে! উত্তরে কেলেঙ্কারির অভিযোগ মন্ত্রী শংকরের