Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Anubrata Mandal

‘মুড়ি খেয়ে দূর থেকে কর্মীরা আসত, মঞ্চের সামনে থাকত তারকারা’, মমতার ২১ জুলাইকে কটাক্ষ অনুব্রতর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। আগামী কাল, মঙ্গলবার 'আসল' তৃণমূলের শহিদ সমাবেশের মঞ্চে দেখাও যাবে তাঁকে। শিবির বদল করে আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন।

দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ০০:০৪

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ০০:০৪

options
link
‘মুড়ি খেয়ে দূর থেকে কর্মীরা আসত, মঞ্চের সামনে থাকত তারকারা’, মমতার ২১ জুলাইকে কটাক্ষ অনুব্রতর zoom
মমতার ধর্মতলার ২১ জুলাইকে কটাক্ষ অনুব্রতের।
Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। আগামী কাল, মঙ্গলবার ‘আসল’ তৃণমূলের শহিদ সমাবেশের মঞ্চে দেখাও যাবে তাঁকে। শিবির বদল করে আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন। এবার অতীতের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২১ জুলাইয়ের ধর্মতলার সমাবেশ নিয়েই কটাক্ষ করলেন অনুব্রত। তাঁর কথায়, “জেলার সাধারণ মানুষ ভোরবেলা উঠে মুড়ি খেয়ে কষ্ট করে আসতেন। অথচ মঞ্চের সামনের আসন দখল করে থাকতেন চলচ্চিত্র জগতের তারকারা।”

২১ জুলাই এবার বীরভূম থেকে ২০ হাজার মানুষ নিয়ে কলকাতায় যাবেন, এমনই বার্তা দিয়েছেন অনুব্রত। কলকাতার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ঋতব্রতপন্থীদের আয়োজিত কর্মসূচিতে বীরভূমের শক্তি প্রদর্শনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা যোগ দেবেন বলে দাবি কেষ্টর। অতীতের ২১ জুলাইয়ের ধর্মতলার সভামঞ্চ প্রসঙ্গে আক্ষেপ, কটাক্ষ শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়। তিনি বলেন, “আগে হাজার হাজার মানুষ নিয়ে আমরা শহিদ মঞ্চে পৌঁছতাম। কলকাতা থেকে কোনও খরচ দেওয়া হত না। জেলার সাধারণ মানুষ ভোরবেলা উঠে মুড়ি খেয়ে কষ্ট করে আসতেন। অথচ মঞ্চের সামনের আসন দখল করে থাকতেন চলচ্চিত্র জগতের তারকারা।”

Advertisement

“এবার সেই চিত্র নেই। এবার প্রকৃত অর্থেই শহিদদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানানো হবে।” ঋতব্রতপন্থীদের আয়োজিত কর্মসূচি নিয়ে জোরালো বার্তা দিলেন অনুব্রত। ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির জন্য রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ জনের জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সেই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বীরভূমে দলের সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যত বেশি সম্ভব কর্মী-সমর্থককে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই সর্বাত্মক লক্ষ্য বার্তা নিয়েছেন অনুব্রতরা। তবে এই বিষয়ে কটাক্ষ করেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। বোলপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, “সরকার বদলের পর তৃণমূলকে জেলায় কার্যত কোথাও দেখা যাচ্ছে না। অনুব্রতবাবুরা ২০০ জন কর্মী-সমর্থকও জোগাড় করতে পারবেন কিনা, তা নিয়েই যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.