Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Baruipur Murder Case

বারুইপুরের ‘অভিশপ্ত’ পুকুর থেকে ফের উদ্ধার দেহ, এলাকায় প্রবল উত্তেজনা

নাবালিকা নির্যাতন কাণ্ডের সঙ্গে নিহত ব্যক্তির কোনও যোগসাজশ রয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বারুইপুর থানার পুলিশ।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৬:৫৮

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৬:৫৮

options
link
বারুইপুরের ‘অভিশপ্ত’ পুকুর থেকে ফের উদ্ধার দেহ, এলাকায় প্রবল উত্তেজনা zoom
বারুইপুরের 'অভিশপ্ত' পুকুর থেকে ফের উদ্ধার দেহ। প্রতীকী ছবি
Advertisement

বারুইপুরের ‘অভিশপ্ত’ পুকুর থেকে ফের উদ্ধার দেহ। নাবালিকার দেহ উদ্ধারের মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে এক ব্যক্তির নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তবে নাবালিকা নির্যাতন কাণ্ডের সঙ্গে নিহত ব্যক্তির কোনও যোগসাজশ রয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বারুইপুর থানার পুলিশ।

জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম কৃষ্ণকান্ত হালদার। গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুকুরে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিলেন পুলিশকর্মীরা। সেই সময় আরেকটি দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়রা শনাক্ত করেন দেহটি কৃষ্ণকান্তের। মৃতদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতন্ত্রে পাঠায় পুলিশ। খুন নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার সঙ্গে নাবালিকা মৃত্যুর কোনও যোগাযোগ রয়েছে কিনা, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে নিহত কৃষ্ণকান্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পুলিশ। কৃষ্ণকান্তের কোনও শত্রু ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বারইপুর থানার পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, বারুইপুরে অশান্তির সূত্রপাত রবিবার সকাল থেকে। পুকুর থেকে নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ধপধপি এলাকা। নাবালিকাকে ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগে সরব স্থানীয় বাসিন্দারা মৃতদেহ রাস্তায় রেখে অববোধ করেন, চলে রেল অবরোধও। ঘটনার খবর কানে পৌঁছতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কথা বলেন নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে। দ্রুত বিচারের আশ্বাস দেন। মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর নির্দেশে বিকেলের মধ্যেই ৬ সদস্যের সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হয়। সিটের নেতৃত্বে বারুইপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত এসপি পিনাকী দত্ত। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার দুপুরে বারুইপুর বাজার থেকে আনন্দ সর্দার নামে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়, তাকেই মূল অভিযুক্ত বলে তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন। তাকে বারুইপুর আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে চাইতে পারে সিট। আনন্দকে জেরা করে এই ঘটনার সঙ্গে আরও কারা যুক্ত, তা জানতে চাওয়া হবে। দ্রুত ঘটনার কিনারা করতে মরিয়া তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, নাবালিকার মৃতদেহের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, যৌন নির্যাতনের পর ভারী বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.