Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Anandapur Fire

আনন্দপুরের ‘মৃত্যুপুরী’তে নিখোঁজ পূর্ব মেদিনীপুরের ১৩ জন! পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের

আনন্দপুরের 'মৃত্যুপুরী' মোমো কারখানার সামনে এখন কান্না, হাহাকার। স্বজনদের খোঁজে অস্থির চিত্তে অপেক্ষায় পরিবার-পরিজনরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে নিখোঁজের সংখ্যা অনেক!

Advertisement
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৪:৩৫

link
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৪:৩৫

options
link
আনন্দপুরের ‘মৃত্যুপুরী’তে নিখোঁজ পূর্ব মেদিনীপুরের ১৩ জন! পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের zoom
দুশ্চিন্তা নিখোঁজের বাড়িতে, সাংবাদিকদের মুখোমুখি পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক।

আনন্দপুরের ‘মৃত্যুপুরী’ মোমো কারখানার সামনে এখন কান্না, হাহাকার। স্বজনদের খোঁজে অস্থির চিত্তে অপেক্ষায় পরিবার-পরিজনরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। অন্যদিকে নিখোঁজের সংখ্যা অনেক! আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের (Anandapur Fire) ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রায় ১৩ জন নিখোঁজ বলে এখনো পর্যন্ত চিহ্নিত করা গিয়েছে। গতকাল, সোমবার সাধারণতন্ত্র দিবসের সকালে মর্মান্তিক এই ঘটনার কথা জানতে পারেন পরিবার-পরিজনরা। তারপর থেকেই বেড়েছে উদ্বেগ। অনেকেই দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুরে রয়েছেন। ‘জতুগৃহে’র সামনে দাঁড়িয়ে প্রিয়জনদের একটা খবরের জন্য অপেক্ষা করছেন তাঁরা।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়ার শ্রীকৃষ্ণ মাইতি, বাপন মাঝি, সমরেশ পথিকর, তপন দোলুই, ময়নার বুদ্ধদেব জানা, সৌমিত্র মণ্ডলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়াও নিখোঁজের তালিকায় আছেন তমলুক ব্লকের দেবাদিত্য দিন্দা, বিমল মাইতি, গোবিন্দ মন্ডল, রামপদ মণ্ডল, ক্ষুদিরাম দিন্দা, শশাঙ্ক জানা। নন্দকুমারের গড়গোদা এলাকার বাসিন্দা সন্দীপ মাইতিরও খোঁজ পাচ্ছে না পরিবার! ওইসব পরিবারে এখন কেবলই আতঙ্ক। যত সময় এগোচ্ছে, কান্নার রোল উঠছে বাড়িতে।

Advertisement

গতকাল, দিনভর নিখোঁজ ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শোকার্ত পরিবারের পাশে সমস্ত রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক ইউনিস ঋষীন ইসমাইল জানিয়েছেন, পরিবারের লোকজনদের অনেকেই সোমবারই দুর্ঘটনাস্থলে চলে গিয়েছেন। পুলিশ অফিসার, মহকুমা শাসক থেকে অন্যান্য আধিকারিকরা ওইসব পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আনন্দপুরেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনজন আধিকারিক পৌঁছে গিয়েছেন। 

রবিবার গভীর রাতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে মোমো তৈরির কারখানা ও গুদাম। ওই কারখানার কোনও অনুমোদন ছিল না দমকলের তরফে, দেড়দিন পর দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর উপস্থিতিতে এমনই স্বীকারোক্তি শোনা গেল দমকল বিভাগের ডিজির গলায়! দিনের পর দিন অনুমোদনহীন কারখানা কীভাবে চলছিল, সেই প্রশ্ন উঠছে খুব স্বাভাবিকভাবেই।  

আনন্দপুরে মোমো তৈরির কারখানায় ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮। তবে সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সেই আশঙ্কাই করা হচ্ছে। ওই এলাকাজুড়ে এখন কেবল স্বজনহারাদের কান্না, আর্তনাদ। নিখোঁজদের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়রা রাতভর ওই এলাকায় অপেক্ষা করেছেন প্রিয়জনদের একটা খবর পাওয়ায় আশায়।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.