Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Arambagh

মিষ্টিতে হোলির রং, ক্ষতিকারক রং বিরিয়ানিতেও! আরামবাগ অভিযানে চোখ কপালে সরকারি আধিকারিকদের

আরামবাগের এক মিষ্টির দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালাতেই চাঞ্চল্যকর বিষয় প্রকাশ্যে এল।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৬:৫৭

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৬:৫৭

options
link
মিষ্টিতে হোলির রং, ক্ষতিকারক রং বিরিয়ানিতেও! আরামবাগ অভিযানে চোখ কপালে সরকারি আধিকারিকদের zoom
২ সেপ্টেম্বর, বুধবার। মিষ্টির দোকান থেকে উদ্ধার হল হোলির রং। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন খাবারের দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের সারপ্রাইজ ভিজিটে এবার উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। মিষ্টির দোকান থেকে উদ্ধার হল হোলির রং। সেই রং মিষ্টিতে মেশানো হত বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। অভিযান চালিয়ে সেই রং ও মিষ্টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আরামবাগের (Arambagh) এক মিষ্টির দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালাতেই চাঞ্চল্যকর বিষয় প্রকাশ্যে এল। আবার বিনিয়ানির দোকানে হানা দিয়েও ক্ষতিকারক রং বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

বুধবার আরামবাগের বেশ কয়েকটি খাবারের দোকানে অভিযান চালায় দপ্তর। সেই অভিযানেই একের পর এক দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের ছবি ধরা পড়েছে। কোথাও মশলা রাখার জায়গা অপরিষ্কার। আবার কোথাও বাটা মশলার পাশেই ঘুরে বেড়াচ্ছে বিড়াল। সবথেকে চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, মিষ্টি তৈরির কারখানায় পাওয়া গেল হোলির সময় গায়ে মাখার রাসায়নিক রঙের টিউব। সেই টিউব তড়িঘড়ি বাজেয়াপ্ত করেন ফুড সেফটি দপ্তরের অফিসাররা। মনে করা হচ্ছে এই রং মিষ্টিতে মেশানো হত। ল্যাব টেস্টের জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে বেশকিছু মিষ্টি। মিষ্টির দোকানদার মিষ্টিতে রং মেশানোর কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। যদিও তাঁর দাবি, আগে হোলির রং মেশানো হতো, এখন আর হয় না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মিষ্টির দোকানের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন ফাস্টফুড স্টলেও হানা দেন খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা। সেখানেও দেখা যায় বিরিয়ানি থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাবারে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকারক রং। দোকানদারদের সতর্ক করার পাশাপাশি খাবারের নমুনাও পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়েছে। দপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, খাবারে রং মেশানো যাবে না বলে ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে। এরপরও একই অভিযোগ পেলে দোকান সিজ করে দেওয়া হবে। তবে প্রশ্ন উঠছে এভাবে অস্বাস্থ্যকর সামগ্রী খাবারে দিনের পর দিন মেশানোয় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যে কতটা প্রভাব পড়ছে? নিজের অজান্তেই খাবারের মধ্যে দিয়ে মানুষের শরীরে মিশছে বিষ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.