Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬

বাড়ির পাঁচিল টপকে ঢুকে মহিলাকে ‘ধর্ষণে’র অভিযোগ, ‘আত্মহত্যা’র চেষ্টা ‘নির্যাতিতা’র! চাঞ্চল্য বীরভূমে

গভীর রাতে পাঁচিল টপকে বাড়িতে ঢুকে এক মহিলাকে তুলে নিয়ে যাওয়া! অদূরে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের হাতে অস্ত্র ছিল! ঘটনার পর সামাজিক সম্মানহানি ও আতঙ্কে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ওই মহিলা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন!

দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৯:৫১

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ১৯:৫১

options
link
বাড়ির পাঁচিল টপকে ঢুকে মহিলাকে ‘ধর্ষণে’র অভিযোগ, ‘আত্মহত্যা’র চেষ্টা ‘নির্যাতিতা’র! চাঞ্চল্য বীরভূমে zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

গভীর রাতে পাঁচিল টপকে বাড়িতে ঢুকে এক মহিলাকে তুলে নিয়ে যাওয়া! অদূরে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের হাতে অস্ত্র ছিল! ঘটনার পর সামাজিক সম্মানহানি ও আতঙ্কে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ওই মহিলা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন! ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নানুরে। ওই নির্যাতিতা এই মুহূর্তে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করেছে নানুর থানার পুলিশ। বাকি দু’জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি গত ৫ আগস্ট গভীর রাতের। ৬ আগস্ট মহিলার স্বামী নানুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে জানানো হয়েছে, রাত সাড়ে ১২টার মধ্যে কয়েক জন যুবক বাড়ির পাঁচিল টপকে ভিতরে ঢোকে। সেই সময় বাড়ির অদূরে শৌচাগারে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছিলেন পরিবারের ওই মহিলা সদস্য। অভিযোগ, তাঁর মুখ চেপে ধরে জোর করে কিছুটা দূরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। চিৎকার করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি পরিবারের।

Advertisement

পরিবারের অন্য সদস্যেরা ঘুমিয়ে ছিলেন। স্ত্রীর চিৎকার শুনে ঘর থেকে বেরন ওই নির্যাতিতার স্বামী ও অন্যান্যরা। অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নির্যাতিতা মহিলার স্বামীর দাবি,”এর আগেও গ্রামের জনা কয়েক যুবক স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। কিন্তু সামাজিক সম্মানহানি ও লোকলজ্জার ভয়ে সে কথা কাউকে জানানো হয়নি।” সম্প্রতি এই ঘটনার পর ওই মহিলা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। শেষপর্যন্ত ৬ আগস্ট রাতে তিনি বিষ খেয়ে ‘আত্মহত্যা’র চেষ্টা করেন তিনি! পরিবারের সদস্যেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এই মুহূর্তে তিনি বর্তমানে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত শেখ হাসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা এবং বাকি দু’জনের বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের মামলা রুজু করা হয়েছে। গতকাল, শুক্রবার রাতে শেখ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ, শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। বাকি অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.