Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kaliachak

কালিয়াচকে হিংসায় প্ররোচনার ‘মূলচক্রী’, পালানোর সময় গ্রেপ্তার মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলাম

এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৫ জনকে।  

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১২:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১২:২৯

options
link
কালিয়াচকে হিংসায় প্ররোচনার ‘মূলচক্রী’, পালানোর সময় গ্রেপ্তার মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলাম zoom
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোট ৩৫ জনকে।  

মোথাবাড়ি কাণ্ডে গ্রেপ্তার ‘মূলচক্রী’ মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলাম। শুক্রবার পেশায় আইনজীবী ইটাহারের বাসিন্দা মোফাক্কেরুলকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বেঙ্গালুরু পালিয়ে যাওয়ার ছক কষেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তার আগেই বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোট ৩৫ জনকে।

মোফাক্কেরুল ইসলাম ইটাহারের পোরসা হাটখোলার বাসিন্দা। বয়স ৪০ বছর। রায়গঞ্জ আদলতের আইনজীবী ছিলেন। কলকাতা হাই কোর্টেও মামলা লড়তেন। বাড়ি রয়েছে কলকাতাতেও। ওকালতির মাঝে ২০২১ সালে ওসাদউদ্দিন ইয়েওসি-র দল মিমের প্রার্থী হন। ইটাহারে প্রার্থী হন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই কিছুই দাগ কাটতে পারেননি। কিন্তু সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাঁর। গ্রেপ্তার হওয়ার পরই মোফাক্কেরুল সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আপনারা ভালো থাকুন’।

Advertisement

মালদহের মোথাবাড়ি কাণ্ডে মোফাক্কেরুলের বিরুদ্ধে জনতাকে উসকানি দেওয়া, সংগঠিত করার অভিযোগ ওঠে। তারপর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রামণ বলেন, “এই ঘটনায় ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেপ্তার ৩৫ জন। আমাদের কাছে খবর ছিল অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল বাগডোগরা বিমানবন্দের আছে। তারপরই গ্রেপ্তার করা হয়।” 

উল্লেখ্য, এসআইআরে নাম বাদ পড়ায় বুধবার রাতে কালিয়াচক (Kaliachak) ২ বিডিও অফিস ঘেরাও থেকে শুরু করে ১২ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ-রাতভর কার্যত তাণ্ডব চলে উত্তেজিত জনতার। এর মাঝে বন্দি হয়ে পড়েন এসআইআরের জন্য কাজে যাওয়া বিচারক, জুডিশিয়াল অফিসাররা। ভোরে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। এনিয়ে বৃহস্পতিবার সকালেই সুপ্রিম কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল কমিশন। শোকজ করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি, মালদহের জেলাশাসক ও এসপিকে। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য ছিল, সিবিআই বা এনআইএ দিয়ে মালদহের এই ঘটনার তদন্ত হবে। সন্ধ্যায় কমিশন এনআইএ তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এনআইএ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগে গ্রেপ্তার করা হল ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুলকে।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.