প্রতিবছর নতুন এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যায় প্রথম পাঁচে পশ্চিমবঙ্গ। যার নেপথ্যে প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে জেন-জি-র অদ্ভুত যৌনচর্চা। বঙ্গে আন্তর্জাতিক যুব দিবসের অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল এডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন এবং রাজ্য প্রাণী মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে ‘এইচআইভি সংক্রমণের প্রতিরোধ’ শীর্ষক আলোচনার আয়োজন করেছিল। সেখানেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসে। শুধু তাই নয়, সামনে এসেছে চমকপ্রদ পরিসংখ্যান। বঙ্গে নতুন ‘অ্যাকিউট ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম’ বা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শেষ হয়ে যাওয়ার রোগীদের মধ্যে সিংহভাগ জেন জি। তরুণদের রক্তে কেন এইচআইভি সংক্রমণ? তথ্যে প্রকাশ, কলেজ পড়ুয়ারা ঝুঁকছে বিকল্প যৌনচর্চায়।
বঙ্গের এইচআইভি পজিটিভ ম্যাপ খুললে দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং-জলপাইগুড়িতে এইচআইভি পজিটিভিটি মাত্রাছাড়া।
আরও পড়ুন:
সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. যোগীরাজ রায় জানিয়েছেন যুব প্রজন্ম ভাবছে, “দিজ ইজ প্রিটি কুল। বাট কুলস আর দ্য ফুলস।” তবে আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ। জেন-জি। তরুণীদের মধ্যে এই অসুখ এখনও নিয়ন্ত্রিত। এইচআইভি আক্রান্তদের অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি দেওয়া হয়। এতে ভাইরাস কমে, তারা কিছুটা সুস্থ হয়। তাতে লাভের লাভ কিছু হয় না। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পরবর্তীকালে এরা বিয়েরও চেষ্টা করে। কিন্তু হয় না। কারণ? ভাইরাল লোড কমলেও অসুখ পুরোপুরি সারে না। এদিকে ভারতের আইন অনুযায়ী ‘এইচআইভি পজিটিভ’ রোগী লুকিয়ে বিয়ে করতে পারেন না। তা করলে গ্রেপ্তার পর্যন্ত হতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সমকামী বিয়ে ছাড়া তাঁদের সামনে অন্য কোনও পথ খোলা থাকে না। তথ্যে আরও জানা গিয়েছে, দেশের মধ্যে এই মুহূর্তে ‘এইচআইভি পজিটিভ’ রোগীর নিরিখে সবচেয়ে এগিয়ে মুম্বই। এসএসকেএম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. যোগীরাজ রায় জানিয়েছেন, কিছু বছর আগেও বিহার অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। তবে এখন বিহারে এইচআইভি পজিটিভ-এর সংখ্যা বাড়ছে। যার নেপথ্যে পরিযায়ী শ্রমিক। বঙ্গের এইচআইভি পজিটিভ ম্যাপ খুললে দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং-জলপাইগুড়িতে এইচআইভি পজিটিভিটি মাত্রাছাড়া। ডা. যোগীরাজ রায় জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের এইসব এলাকায় ইঞ্জেকশনে ড্রাগ নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। একই সিরিঞ্জ থেকে ড্রাগ নেন অনেকে। স্বাভাবিকভাবেই এক জনের থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে পড়ে এইচআইভি। পশ্চিমবঙ্গের কিছু ব্লকে এইচআইভি পজিটিভ রোগী বাড়লেও দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় তা অনেকটাই কম। দেশের সবচেয়ে বড় পতিতাপল্লি থাকা সত্ত্বেও বঙ্গে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা এত কম থাকার নেপথ্যে দুর্বারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর, ডা. যোগীরাজ রায়। ‘রেড লাইট’ এলাকায় কন্ডোম ছাড়া যৌনতা করা যাবে না। এই নীতি এগিয়ে রেখেছে বাংলাকে।
সর্বশেষ খবর
-
স্বাধীনতা দিবস স্পেশাল ডিপিতে দেশাত্মবোধের ছোয়াঁ চাই? এআইকে এই ৫ প্রম্পট দিলেই কেল্লাফতে!
-
৯ ঘণ্টা লোডশেডিং, রাত ৮টায় বন্ধ দোকান-বাজার, আলোর খোঁজে ভারতের দ্বারস্থ অন্ধকার বাংলাদেশ!
-
‘যন্তর মন্তরে শাবানাজির মতো জেন জি’রা ছিলেন!’ ‘নর্দমার প্রজন্ম’র পর ফের বিস্ফোরক কঙ্গনা
-
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জাহাজের ধাক্কায় নূরপুরে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত শুরু
-
মেসি পেরেছে, রোহিত-বিরাট কেন নয়? বিশ্বকাপের আগে গম্ভীরকে ‘চ্যালেঞ্জ’ বিজেপি সাংসদের