অর্ণব আইচ: দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরে জন্মদিনের পার্টিতে তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল হরিদেবপুর থানার পুলিশ। তাঁকে বর্ধমান স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের নাম চন্দন মালিক। অপর অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
নির্যাতিতা তরুণী হরিদেবপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। বেশ কয়েক মাস আগে তাঁর সঙ্গে চন্দন মালিকের পরিচয় হয়েছিল। নিজেকে দক্ষিণ কলকাতার একটি বড়পুজো কমিটির কর্তা বলে পরিচয় দেন তিনি। তার সূত্রেই তরুণীর সঙ্গে দীপ নামে আরও এক যুবকের পরিচয় হয়। দুই যুবক তরুণীকে ওই পুজো কমিটির সঙ্গে যুক্ত করিয়ে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। তাদের মধ্যে প্রায়ই কথা হত। চলতি মাসের পাঁচ তারিখ তরুণীর জন্মদিন ছিল। অভিযোগ, সেই উপলক্ষ্যে নির্যাতিতাকে রিজেন্ট পার্ক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান চন্দন ও দীপ। সেখানেই তরুণীকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। নির্যাতনের পর কোনওমতে বাড়ি ফিরে আসেন তরুণী। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়।
ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল চন্দন ও দীপ। বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাতে থাকে পুলিশ। গতকাল রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ হানা দেয় বর্ধমান স্টেশনে। স্টেশন চত্বর থেকেই চন্দনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে গ্রেপ্তার করে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, বর্ধমান স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন অভিযুক্ত। ভিন রাজ্যে পালানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে। গণধর্ষণের আরেক অভিযুক্ত দীপও পলাতক। তাঁরও খোঁজ চলছে। ধৃতকে জেরা করে দীপের খোঁজ পাওয়া যেতে পারে। এমন কথাও মনে করছেন তদন্তকারীরা।
সর্বশেষ খবর
-
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকাই কি বাংলার পরবর্তী বোলিং কোচ? বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন হতেই জল্পনা
-
মাতলার চরে সবুজের উৎসব, সুন্দরবন বাঁচাতে রোপণ করা হল হাজার হাজার ম্যানগ্রোভ
-
গ্রেপ্তারির পর কেন কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানো হচ্ছে রাস্তায়? রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট
-
‘বৈজ্ঞানিক সত্য’-র দায় নেই, ‘রাজনৈতিক সত্য’ হওয়ার
-
চলন্ত ট্রেন থেকে রেললাইনে পড়েছে ফোন? হঠকারিতা নয়, রয়েছে ফেরত পাওয়ার উপায়ও