Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Bhagavad Gita

কুড়মালি ও সাঁওতালি ভাষায় গীতার অনুবাদ, আরও এক জরুরি কাজ অভিমন্যুর

অনুবাদে মূল সংস্কৃত ভাব ও দর্শন অক্ষুণ্ণ রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ভাষার স্বাভাবিক শব্দভাণ্ডার, ব্যাকরণ ও ভাষাশৈলীকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৪:৪৪

options
link
কুড়মালি ও সাঁওতালি ভাষায় গীতার অনুবাদ, আরও এক জরুরি কাজ অভিমন্যুর zoom
কুড়মালি ভাষার গীতার প্রকাশক ‘আদিবর্ণ’।

গীতার অনুবাদের ভাষা সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। এবার সেই তালিকায় সংযোজিত হল কুড়মালি ও সাঁওতালি ভাষা। দুই ভাষাতেই অনুবাদ করেছেন কবি অভিমন‌্যু মাহাতো। যাঁদের মাতৃভাষা কুড়মালি বা সাঁওতালি, তাঁরা এবার নিজেদের মাতৃভাষায় গীতার বাণী পাঠ করতে পারবেন।
শনিবার কলকাতার সুজাতা সদনে ‘সুবর্ণরেখা’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুটি বইয়ের উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘‘নতুন সরকার কুড়মালি ও রাজবংশী ভাষাকে গুরুত্ব দিয়েছে। রাজ‌্য বাজেটেও তার উল্লেখ রয়েছে। গীতার দুই ভাষাতে অনুবাদ খুবই উল্লেখযোগ‌্য কাজ।’’

সাঁওতালিতে গীতার অনুবাদ গ্রন্থটির প্রকাশক ‘বইতন্ত্র’। আর কুড়মালি ভাষার গ্রন্থটির প্রকাশক ‘আদিবর্ণ’। অভিমন‌্যু জানান, দীর্ঘদিনের অধ্যবসায় ও ভাষা-গবেষণার ফল হিসাবে সম্পূর্ণ গীতার ১৮টি অধ্যায় কুড়মালি এবং সাঁওতালি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। অনুবাদে মূল সংস্কৃত ভাব ও দর্শন অক্ষুণ্ণ রাখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ভাষার স্বাভাবিক শব্দভাণ্ডার, ব্যাকরণ ও ভাষাশৈলীকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে অনুবাদটি কেবল ভাষান্তর নয়, ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে গীতার ভাবধারার একটি সৃজনশীল সংযোগের চেষ্টা করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভাষাবিদদের মতে, আদিবাসী ভাষায় গীতার অনুবাদের মাধ্যমে ভাষার বিকাশ যেমন ত্বরান্বিত হবে, তেমনি নতুন প্রজন্মও নিজেদের মাতৃভাষার প্রতি আরও আগ্রহী হয়ে উঠবে।

অনুবাদক অভিমন্যু মাহাতোর বাড়ি পুরুলিয়ার শরবেড়িয়া গ্রামে। বাংলা সাহিত্য জগতে পরিচিত নাম। তিনি সাহিত্য অ‌্যাকাডেমি যুব পুরস্কার পেয়েছেন। বাংলা ভাষায় প্রকাশিত তাঁর একাধিক কাব্যগ্রন্থ রয়েছে। তিনি এর আগে কুড়মালিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ অনুবাদ করেছেন। অভিমন্যু জানান, তাঁর লক্ষ্য ছিল কুড়মালি ও সাঁওতালি ভাষাভাষী মানুষের কাছে গীতার শিক্ষা সহজ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলা। অনুবাদের সময় তিনি আক্ষরিক অনুবাদের পরিবর্তে মূল ভাব, ভাষার স্বাভাবিকতা এবং পাঠযোগ্যতার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

ভাষাবিদদের মতে, আদিবাসী ভাষায় গীতার অনুবাদের মাধ্যমে ভাষার বিকাশ যেমন ত্বরান্বিত হবে, তেমনি নতুন প্রজন্মও নিজেদের মাতৃভাষার প্রতি আরও আগ্রহী হয়ে উঠবে। অনেকের মত, কুড়মালি ও সাঁওতালি ভাষায় গীতা-র এই অনুবাদ ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ভাষা-সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সুবর্ণরেখার ওই অনুষ্ঠানেই সাংবাদিক সুবর্ণপ্রতিম গিরির ‘২৭ কাহন’ নামে একটি গদ‌্যগ্রন্থও প্রকাশিত হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.