Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Nipah Virus

বারাসতে নিপা আক্রান্তের মৃত্যু! হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ হারিয়েছেন নার্স, জানাল হাসপাতাল

সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি ছিলেন তিনি।

Advertisement
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৯:১৯

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
বারাসতে নিপা আক্রান্তের মৃত্যু! হার্ট অ্যাটাকে প্রাণ হারিয়েছেন নার্স, জানাল হাসপাতাল zoom
প্রতীকী ছবি।

রাজ্যে প্রথম নিপা ভাইরাস (Nipah Virus) আক্রান্তের মৃত্যু। চলতি মরশুমে এই প্রথম মৃত্যু হল নিপা আক্রান্তের। বেশ কিছুদিন আগেই নিপা আক্রান্ত  হন ওই নার্স।  বারাসতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি ছিলেন তিনি। যদিও হাসপাতাল সূত্রে খবর, নিপা নয়, হাট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয়েছে নার্সের।

জানা গিয়েছে মৃতার নাম সৌমি রায় চৌধুরী। দীর্ঘদিন ধরেই জ্বর, শ্বাসকষ্ট-সহ একাধিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। পরবর্তীতে পরীক্ষা করা হলে ধরা পড়ে নিপা। গত ৪ জানুয়ারি নিপা আক্রান্ত ওই নার্স ভর্তি হন বারাসতের একটি হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা চলছিল। ৩৯ দিন চিকিৎসার পর বৃহস্পতিবার মৃত্যু হল ওই নার্সের। যদিও জানা যাচ্ছে, নিপা মুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন ওই নার্স।  

Advertisement

দীর্ঘদিন ধরেই জ্বর, শ্বাসকষ্ট-সহ একাধিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। পরবর্তীতে পরীক্ষা করা হলে ধরা পড়ে নিপা। গত ৪ জানুয়ারি নিপা আক্রান্ত ওই নার্স ভর্তি হন বারাসতের একটি হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে রেখে চিকিৎসা চলছিল।

উল্লেখ্য, নিপায় আক্রান্ত, উপসর্গযুক্ত রোগী এবং তাঁদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তি ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আগেই স্পষ্ট নিয়মাবলি নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ‌্য দপ্তর। বলা হয়েছে, শুধুমাত্র যাঁরা নিপায় আক্রান্তদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ একঘরে খুব কাছাকাছি কাটিয়েছেন তারাই ঝুঁকিপূর্ণ। এদের মধ্যে যদি কারও কোনও উপসর্গ না থাকে তাঁদেরও ২১ দিন নিভৃতবাসের পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ‌্যদপ্তর। স্বাস্থ‌্যকর্মীরা দিনে দু’বার তাঁদের ফোন করে স্বাস্থ‌্য সম্পর্কিত খোঁজ খবর করবেন বলেও জানানো হয়েছে। এদিকে নিপাকে রুখতে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরাও। জানিয়েছেন, ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। বাদুড় কিংবা অন্যান্য পশুর কামড় দেওয়া ফল ভুলেও খাওয়া যাবে না। বিশেষত খেজুর রস এই সময় না খাওয়াই উচিত। পেয়ারা, লিচু খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। রাস্তাঘাটে কাটা ফল এই সময়ে না খাওয়াই ভালো। নইলে পুষ্টির পরিবর্তে সংক্রমণের সম্ভাবনাই বেশি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.