Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Baruipur

বারুইপুরে ‘খুন’ বিজেপি কর্মী, নাম জড়াল দলেরই নেতার

ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৪:০৭

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৪:০৭

options
link
বারুইপুরে ‘খুন’ বিজেপি কর্মী, নাম জড়াল দলেরই নেতার zoom
নিহত বাপি প্রামাণিক। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। বারুইপুরের (Baruipur) উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ার ঘটনায় নাম জড়াল দলেরই এক স্থানীয় নেতার। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দলীয় কর্মীকে খুন করিয়েছেন বিজেপি নেতা। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলেই পুলিশ সূত্রে খবর।

নিহত বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিক। স্থানীয়দের দাবি, নিহত বাপি বরাবরই সক্রিয় বিজেপি কর্মী। তৃণমূলের ‘অত্যাচারে’ গত প্রায় দশ বছরের বেশিরভাগ সময় ঘরছাড়া হতে হয়েছে তাঁকে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বাড়ি ফেরেন। সম্প্রতি এলাকায় একটি দোকানও খোলেন। পরিবারের দাবি, গত রবিবার রাতে ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে পাঠানো হয় তাঁকে। অভিযোগ, মাঝরাস্তায় তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়েও হামলা চালানো হয় বলেই অভিযোগ। তাতেই মৃত্যু হয় বাপির। পরিবারের অভিযোগ, বিজেপি নেতা সুজন মণ্ডলের পরিকল্পনাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে।

Advertisement

স্থানীয় বিজেপি কর্মী বাদল মণ্ডলের দাবি, “আমরা ১০-১৫ জন দাঁড়িয়েছিলাম। খাওয়াদাওয়া করছিল। তৃণমূলের লোকজন ঘুরছিল। আমাদের হুমকি দেয়। চলে গিয়েছি বেশ কয়েকজন। আমি আর নারায়ণদা যখন বাইকে করে যাচ্ছি তত বড় বড় রড, লাঠি, বন্দুক নিয়ে তেড়ে তেড়ে যাচ্ছে। সুজন নাইয়া, সুনীল নাইয়া, অধীর নাইয়া, টোকন নাইয়া তেড়ে যাচ্ছে। এরা তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী। তাড়াতাড়ি বাইক চালিয়ে চলে গিয়েছি। না হলে আমাকে খুব মারত। প্রশান্তদাকে ফোন করেছি। বুথ সভাপতি রঞ্জিতদাকে ফোন করেছি। কর্মীদের সবাইকেই ফোন করেছি। ওরা আমাকে দেখতে গিয়েছি। তবে তখন কারও কিছু হয়নি। সকলে বলল সকাল হলে ব্যবস্থা করব। তারপর বাপিদাকে ফোন করেছি। তখন বেশ কয়েকজন আমাদের বাড়িতে চলে গিয়েছে। সেই সময় বাপিদাকে খুব মেরেছে। মেরে ফেলে দিয়েছে।”

তাঁর আরও অভিযোগ, “বিজেপির সক্রিয় কর্মী। আমাদের নেতা বিজেপি নেতা সুজন মণ্ডল ওই দুষ্কৃতীদের নিয়ে মিটিং করছে। আমরা বিরোধিতা করেছি। তাই খুন করে দিয়েছে। আমরা ওর ফাঁসি চাই।” যদিও পুলিশের বক্তব্য, একটি পুজো কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি ও মারামারি হয়। সেই মারামারিতেই গুরুতর আহত হন বাপি প্রামাণিক। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.