Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Nadia

নদিয়ায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওষুধ খেয়ে নেতিয়ে পড়ল দেড় বছরের শিশু! তদন্তের দাবিতে অবরোধ

পরিবারের অভিযোগ, ওষুধ খাওয়ানোর পর থেকে শিশুর মুখে জ্বালাভাব ও পোড়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৭:২৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৭:২৫

options
link
নদিয়ায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওষুধ খেয়ে নেতিয়ে পড়ল দেড় বছরের শিশু! তদন্তের দাবিতে অবরোধ zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

নদিয়ার (Nadia) কোতোয়ালি থানার উজিরপুর গ্রামে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তরফে আয়োজন করা হয়েছিল একটি ক্যাম্প। সেই জ্বর-সর্দিকাশির উপসর্গ নিয়ে দেড় বছরের শিশুকে নিয়ে গিয়েছিল মা। সেখান থেকেই একটি ওষুধের শিশি দেওয়া হয়। সেই ওষুধ শিশুকে খাওয়াতেই মারাত্মক প্রতিক্রিয়া! পরিবারের অভিযোগ, ওষুধ খাওয়ানোর পর থেকে শিশুর মুখে জ্বালাভাব ও পোড়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

শিশুটিকে প্রথমে বিষ্ণুপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে রেফার করা হলে কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে পরিবারের দাবি, শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে শিশুটিকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে রানাঘাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে পরিবার সমস্যার মুখে পড়লে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

Advertisement

এদিকে শিশুর অসুস্থ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হতে থাকে এলাকা। রবিবার রাত থেকে কৃষ্ণনগর-নবদ্বীপ রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দারা। অবরোধের জেরে কৃষ্ণনগর-নবদ্বীপ তথা নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রঞ্জিতকুমার দাস তাদের জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ওষুধটির মেয়াদ ২০২৭ পর্যন্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ওষুধের ব্যাচের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। ওষুধের গুণগত মান, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও বিতরণ প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে। একই ব্যাচের ওষুধ গ্রহণকারী অন্য শিশুদের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব স্থানীয়রা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.