Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
2024 Lok Sabha Election

অনুমতি দিয়েও প্রত্যাহার! ভাঙড়ের সভা বাতিলে পুলিশকে তোপ শুভেন্দুর

শুভেন্দুর আরও অভিযোগ বেছে বেছে গেরুয়া শিবিরের সভাই বন্ধ করা হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৪, ১৯:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২৪, ১৯:২৬

options
link
অনুমতি দিয়েও প্রত্যাহার! ভাঙড়ের সভা বাতিলে পুলিশকে তোপ শুভেন্দুর zoom
ফাইল চিত্র
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভাঙড়ে বাতিল হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সভা। আর তার পরই পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দেখা গেল তাঁকে। পুলিশ শেষ মুহূর্তে সভার অনুমতি বাতিল করেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। কেবল তাই, বাতিলের যে কারণ বলা হচ্ছে তাও মনগড়া বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। 

এদিনই ঘটনাস্থলে যান শুভেন্দু। সেখানে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ জানিয়েছে এই সভা থেকে ১০০ মিটার দূরে তৃণমূলের সভা হচ্ছে। তাই সভা করা যাবে না। কিন্তু আমি তো ওই দিক থেকেই এলাম, কিচ্ছু নেই। তৃণমূল মাঠেই নেই। পুলিশ বনাম বিজেপির লড়াই হচ্ছে। পুলিশের যেন দায় পড়েছে তৃণমূলকে জেতানোর। মমতার পুলিশ চিটিংবাজ ও মিথ্যাবাদী তা এই ঘটনায় প্রমাণিত।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘অল আইজ অন রাফা’, সোশাল মিডিয়ায় হঠাৎ কেন ট্রেন্ডিং এমন বাক্য?]

বুধবার ভাঙড়ের কলোনি মাঠে যাদবপুর লোকসভা (Jadavpur Lok Sabha) আসনে বিজেপি (BJP) প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Anirban Gangopadhyay) সর্মথনে সভা করার কথা ছিল শুভেন্দুর। চলছিল তারই প্রস্তুতি। নিজের ফেসবুক পেজেও সভার বিবরণ দেন তিনি। তবে শেষ লগ্নে পুলিশ সেই সভার অনুমতি প্রত্যাহার করে জানায় সেখানে সভা করা যাবে না। তা নিয়ে বিজেপির (BJP) অভিযোগ তাঁদের আটকানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত। 

সভা বাতিল হলেও ভাঙড়ের কলোনি মাঠে যান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রার্থী ও অন্যান নেতারা। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমাদের জেলা নেতৃত্ব এখানে বুথ সশক্তিকরণের মিটিং করে গিয়েছেন। আমরা এখানে একটা মাঝারি মাপের সভা করতে চেয়েছিলাম। নিয়ম মেনেই সব কিছু হচ্ছিল। কেউ বাধা দেয়নি। পুলিশও আসেনি। অথচ আজ বেলা ১১টার সময় চিঠি আসে যে এখানে সভা করা যাবে না।” তাঁর আরও অভিযোগ, কংগ্রেস বা সিপিএম নয়, বেছে বেছে বিজেপিকেই আটকানো হয়। 

[আরও পড়ুন: রেমালের দাপট কাটতেই বঙ্গে গুমোট গরম, কবে মিলবে স্বস্তি?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.