এবার জঙ্গিপুর পুরসভা (Jangipur Municipality)। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন কাউন্সিলররা। ভাইস চেয়ারম্যান সন্তোষ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুরপ্রধান মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১১ জন কাউন্সিলর। মহকুমাশাসকের দপ্তরে প্রস্তাব জমা দিয়েছেন তাঁরা।
তৃণমূল পরিচালিত জঙ্গিপুর পুরসভায় ২১টি আসন রয়েছে। নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে ১৫ জন কাউন্সিলর জয়ী হন। কংগ্রেস পায় ২টি আসন, বিজেপি ১টি, সিপিএম ৩টি। পরে বিরোধী দল থেকে একজন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। বোর্ড গঠন করে তৃণমূল। চেয়ারম্যান হন মফিজুল ইসলাম। ভাইস চেয়ারম্যান হন সন্তোষ চৌধুরী। এবার মফিজুলের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১১ জন।
আরও পড়ুন:
কেন অনাস্থা? ভাইস চেয়ারম্যান সন্তোষ বলেন, “আমাদের পুরবোর্ড ঠিক করে চলছিল না। তাই এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ জন নির্বাচিত কাউন্সিলর অনাস্থা প্রস্তাব এনেছি। বিধনাসভা নির্বাচনের আগে প্রাক্তন বিধায়কের সঙ্গে আমাদের দ্বন্দ্ব ছিল। তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বকে তা জানিয়েছিলাম। কাজ হয়নি। তৃণমূল থেকে দূরেই ছিলাম আমরা। এবার নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন করে বর্তমান রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পগুলি জঙ্গিপুরে বলবৎ করতে চাই।”
তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা নিয়ে চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, “অনাস্থা এনেছে ভালো করেছে। তবে কথা বলে করলে ভালো হত। আমি কাজ করতে পারছিলাম না। ওরা ভালো করে বোর্ড পরিচালনা করুক।” তিনি আরও বলেন, “জঙ্গিপুর যে কাজ আটকে আছে তার পিছনে কিন্তু বিরোধী কাউন্সিলর ও আর কিছু নিজেদের কাউন্সিলরের মদত রয়েছে। ওদের কাজ ছিল চেয়ারম্যানকে বিরক্ত করা।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিদ্রোহীরা মমতার ‘সোনার টুকরো ভাই’, কংগ্রেসে থাকলে সারাজীবন চা-জল দিতে হত! কটাক্ষ শমীকের
-
মিনাখাঁয় টিউশনের পথে কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণ! কলকাতায় প্রৌঢ়র লালসার শিকার নাবালিকা
-
‘আসল’ তৃণমূলের দাবি কীসের ভিত্তিতে? জবাব দিতে ঋতব্রতকে সময়সীমা বেঁধে দিল কমিশন
-
এক চামচ তেলেই বয়সের ঘড়ি ছুটবে পিছনদিকে! জেনে নিন কীভাবে করা যায় ‘অয়েল পুলিং’
-
কঙ্কালের আঙুলে ব্রাহ্মী লিপি! থাইল্যান্ডে খোঁজ মিলল ২০০০ বছর প্রাচীন ভারতীয় আংটির